Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

হাউজ ফর অল প্রকল্পে ৯ কোটি পেল মেদিনীপুর পুরসভা, খুশি উপভোক্তারা

হাউজ ফর অল প্রকল্পে মেদিনীপুর পুরসভা পেল ৯ কোটি টাকা। উপকৃত হবে পুর এলাকার শতাধিক পরিবার।

হাউজ ফর অল প্রকল্পে ৯ কোটি পেল মেদিনীপুর পুরসভা, খুশি উপভোক্তারা
  • ৫ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: হাউজ ফর অল প্রকল্পে মেদিনীপুর পুরসভা পেল ৯ কোটি টাকা। উপকৃত হবে পুর এলাকার শতাধিক পরিবার। জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর পুরসভায় মোট ২ হাজার ৩৭৬টি বাড়ির কাজ চলছে। তাদের মধ্যে বহু পরিবার এবার টাকা পাবেন। ধাপে ধাপে সেই টাকা দেওয়া শুরু হবে। পুরসভার আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, এখনও যে সব বাড়ির কাজ শুরু হয়নি, সেগুলি দ্রুততার সঙ্গে শুরু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সরকারি বাড়ি তৈরি হওয়ার পর তা বিক্রি করলেই কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সরকারি টাকা ফেরত না দিলে এফআইআর করা হবে। মেদিনীপুর পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান বলেন, ‘হাউজ ফর অল প্রকল্পের জন্য টাকা এসেছে। উপভোক্তাদের সেই টাকা দেওয়ার কাজ শুরু  হবে। আমাদের লক্ষ্য, একশো শতাংশ মানুষকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা। তবে বেআইনি কাজ কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।’  হাউজ ফর অল প্রকল্পের মাধ্যমে শহর এলাকার মানুষ মাথার উপর পাকার  ছাদ পাচ্ছেন। সেইমতো মেদিনীপুর পুরসভা এলাকায় দ্রুততার সঙ্গে কাজ চলছে। তবে, বাড়ি তৈরির টাকা ধাপে ধাপে আসায় বহু ক্ষেত্রে কাজ থমকে থাকছে বলেও অভিযোগ করছেন উপভোক্তারা। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর পুরসভা এলাকায় ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১ হাজার ১৯৮টি বাড়ির অনুমোদন মিলেছিল। সবক’টি বাড়ি তৈরি হয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৭৯৮টি বাড়ির অনুমোদন মিলেছিল। একশো শতাংশ বাড়ি তৈরি হয়ে গিয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১ হাজার ১০০ বাড়ির অনুমোদন মিলেছিল। সবক’টি বাড়ি তৈরির কাজ শেষ করেছে পুরসভা। 

Advertisement

তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ সালে আড়াই হাজারের বেশি বাড়ির অনুমোদন মিলেছিল। তার মধ্যে ২ হাজার ৩৭৬টি বাড়ির কাজ চলছে। জানা গিয়েছে, এই বিপুল সংখ্যক বাড়ির মধ্যে ৯৯০টি বাড়ি তৈরি হয়ে গিয়েছে। ৯৫৪টি বাড়ির ঢালাই পর্যন্ত হয়ে পড়ে রয়েছে। সেই পরিবারগুলো ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা করে পাবেন। পাশাপাশি, ২৯৪টি বাড়ির লিন্টন পর্যন্ত কাজ হয়েছে। সেই সমস্ত পরিবারকে এক লক্ষ টাকা করে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, বেশকিছু বাড়ির ফাউন্ডেশনের কাজ হয়েছে। এখনও প্রায় ১৩ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। টাকা এলেই উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু টাকা আসছে কম। কোনও পরিবার যাতে বঞ্চিত না হয়, সেদিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। মেদিনীপুরের বাসিন্দা তাপস মাইতি বলেন, ‘মেদিনীপুর পুরসভা এলাকায় অনেক পরিবার বাড়ি এখনও পায়নি। বর্ষাকালে তাঁদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। সেদিকে নজর দেওয়ার প্রয়োজন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ