ভুবনেশ্বর ও নয়াদিল্লি: বজ্র আঁটুনি, ফস্কা গেরো! নিট-কাণ্ডের প্রতিবাদে ছাত্রছাত্রীদের তুমুল বিক্ষোভে প্রবল চাপে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার। পড়ুয়াদের দাবির কাছে নতিস্বীকার করে শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতে হয়েছে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে। অবিজেপি রাজ্যগুলিতে প্রশ্ন ফাঁস খুঁজে বের করতে তেড়েফুঁড়ে নেমেছে কেন্দ্র। কিন্তু এত কিছুর পরও প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকানো যাচ্ছে না। এবার স্বয়ং ধর্মেন্দ্র প্রধানের রাজ্য ওড়িশাতেই স্নাতকোত্তর স্তরে মেডিকেল পরীক্ষার প্রশ্নপত্র হোয়াটসঅ্যাপে ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠল। পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই তা ফাঁস হয়ে গিয়েছে বলে খবর। শুধু তাই নয়, প্রশ্নের উত্তরও নাকি সোশ্যাল মিডিয়ায় চলে আসে। শোরগোল তুঙ্গে ওঠায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। যদিও তাতে বিতর্ক ধামাচাপা দেওয়া যাচ্ছে না। শাসকদল বিজেপির মুণ্ডপাত শুরু করেছে বিরোধীরা। সুর চড়িয়েছেন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ। তাঁর ঠেস, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁর রিল বানানোর দক্ষতা বৃদ্ধিতে ব্যস্ত। ফাস্ট ট্র্যাক-কোর্ট ও কঠোর আইনের অছিলায় লোক দেখানো পদক্ষেপে কাজ হবে না। শিক্ষা ব্যবস্থার বাণিজ্যকরণ ও দুর্নীতি রুখতে সততার সঙ্গে বৃহত্তর পরিসরে আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনের নেপথ্যে মূল দাবিও ছিল এটাই। সেই দাবিকে সম্মান করা উচিত মোদি সরকারের।’ কটাক্ষ করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। পালটা আসরে নেমেছে বিজেপিও। বিরোধী শাসিত ঝাড়খণ্ডে সরকারি চাকরি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছে তারা। বিজেপির অভিযোগ, ঝাড়খণ্ডের জেএমএম নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের শরিক কংগ্রেস পরীক্ষায় অনিয়মের ইস্যুতে দু’মুখো নীতি নিয়ে চলছে।



