নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও জলপাইগুড়িতে কলকাতা হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চ নির্মাণকে মোদি সরকারের সাফল্য বলে দাবি বিজেপি সাংসদ জয়ন্ত রায়ের। যা ঘিরে তুঙ্গে উঠল বিতর্ক।
নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও জলপাইগুড়িতে কলকাতা হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চ নির্মাণকে মোদি সরকারের সাফল্য বলে দাবি বিজেপি সাংসদ জয়ন্ত রায়ের। যা ঘিরে তুঙ্গে উঠল বিতর্ক।
মোদি সরকারের ১১ বছরের সাফল্য তুলে ধরতে আজ, শনিবার বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে সাংসদ জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও সার্কিট বেঞ্চকে মোদি সরকারের সাফল্য বলে দাবি করেন। যা নিয়ে বিজেপি সাংসদকে পাল্টা আক্রমণ করেছে তৃণমূল। প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বর্তমানে শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবের তোপ,‘আমার মনে হয়, সাংসদের একটু ভালো করে স্টাডি করা দরকার। ৫০১ কোটি টাকা খরচে রাজ্যের তরফে জলপাইগুড়িতে কলকাতা হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চের স্থায়ী ভবন গড়ে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের জমিতেই তৈরি হয়েছে সেটি। তাছাড়া বর্তমানে যে অস্থায়ী পরিকাঠামোয় সার্কিট বেঞ্চ চলছে, সেটিও করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। অন্যদিকে জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে জলপাইগুড়িতে মেডিক্যাল কলেজ তৈরি হয়েছে। ফলে এটাকে মোদি সরকারের সাফল্য বলে জলপাইগুড়ির বিজেপি সাংসদের দাবি করা হাস্যকর।’
যদিও এদিন বিজেপি সাংসদ জয়ন্ত রায় বলেন, ‘জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ এবং সার্কিট বেঞ্চকে কেন আমাদের সাফল্য বলে দাবি করব না? মেডিক্যালের ভবন নির্মাণে ৩২০ কোটি টাকার মধ্যে ১৯০ কোটি টাকা দিয়েছে কেন্দ্র। তাছাড়া রাজ্য সরকার প্রথমে তো জলপাইগুড়ি মেডিক্যালের ব্যাপারে কেন্দ্রকে কোনও প্রস্তাবও পাঠায়নি। আমি সাংসদ হওয়ার পর বিষয়টি কেন্দ্রের নজরে আনি। তারপর রাজ্য এ ব্যাপারে ডিপিআর পাঠায়।’ বিজেপি সাংসদের দাবি, ‘কেন্দ্র যদি টাকা দেয়, মেডিক্যালের অনুমোদন দেয়, তাহলে সেটাকে মোদি সরকারের সাফল্য বলে তুলে ধরব না কেন?’ জয়ন্তবাবু আরও বলেন, ‘জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের ভবন নির্মাণেও কেন্দ্রের টাকা আছে। কত টাকা কেন্দ্র এই প্রকল্পে দিয়েছে রাজ্য তা ভালোভাবে জানে। সুতরাং এটিও মোদি সরকারের সাফল্য বলে আমরা মনে করি।’