সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ মেডিক্যালে ফের লিফ্ট বিভ্রাট! লিফ্টের মধ্যেই প্রায় ত্রিশ মিনিট আটকে থাকলেন গর্ভবতী। লিফ্টে আটকে থাকা রোগী ও রোগীর পরিজনরা দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করলেও কেউ উদ্ধারে আসেননি বলে অভিযোগ। অনেকক্ষণ পর মেডিক্যালের কর্মীরা গর্ভবতী মহিলা সহ তাঁর পরিজনদের উদ্ধার করেন।
Advertisement
রবিবার রায়গঞ্জ শহরের অশোকপল্লির শিল্পা রায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে মেডিক্যালের সুপার স্পেশালিটি বিল্ডিংয়ের ৮ তলায় প্রসূতি বিভাগে ভর্তির জন্য লিফটে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সাত তলায় গিয়ে লিফ্টটি হঠাৎ আটকে যায়। গর্ভবতী মহিলা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। শিল্পা বলেন, এমনিতেই আমি অসুস্থ। হাসপাতালের লিফ্টে আটকে আতঙ্কিত হয়ে বেশি অসুস্থ হয়ে যাই। লিফ্টের ভিতর শ্বাসকষ্ট হতে শুরু করে।
শিল্পার আত্মীয় টুম্পা চক্রবর্তী বলেন, লিফ্টে আমরা তিনজন ছিলাম। হঠাত্ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভয় পেয়ে যাই। অনেকক্ষণ ধরে ডাক দিয়েছি আমাদের বের করার জন্য। অনেকক্ষণ কাউকে পাইনি। তারপর এক প্রতিবেশীকে ফোন করি। অনেকক্ষণ পর লিফ্টটি একতলায় নিয়ে আসা হয়। পরে অন্য লিফ্টে উঠি। বারবার লিফ্ট বন্ধ হওয়ায় ক্ষুব্ধ রোগীর পরিজনরা।
লিফ্ট বিভ্রাটে সুপার স্পেশালিটি বিল্ডিংয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার দিকে আঙুল তুলেছেন মেডিক্যালের অধ্যাপক ডাঃ বিদ্যুৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। মেডিক্যালের সহকারী সুপার শৌনক কুমার ঘোষও বলেন, লিফ্টের সমস্যার কথা আগেও উপরমহলে জানিয়েছি। আবারও জানানো হবে।
শিল্পার আত্মীয় টুম্পা চক্রবর্তী বলেন, লিফ্টে আমরা তিনজন ছিলাম। হঠাত্ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভয় পেয়ে যাই। অনেকক্ষণ ধরে ডাক দিয়েছি আমাদের বের করার জন্য। অনেকক্ষণ কাউকে পাইনি। তারপর এক প্রতিবেশীকে ফোন করি। অনেকক্ষণ পর লিফ্টটি একতলায় নিয়ে আসা হয়। পরে অন্য লিফ্টে উঠি। বারবার লিফ্ট বন্ধ হওয়ায় ক্ষুব্ধ রোগীর পরিজনরা।
লিফ্ট বিভ্রাটে সুপার স্পেশালিটি বিল্ডিংয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার দিকে আঙুল তুলেছেন মেডিক্যালের অধ্যাপক ডাঃ বিদ্যুৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। মেডিক্যালের সহকারী সুপার শৌনক কুমার ঘোষও বলেন, লিফ্টের সমস্যার কথা আগেও উপরমহলে জানিয়েছি। আবারও জানানো হবে।



