Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মেয়াদ উত্তীর্ণ নথি নিয়ে ডোমকলে চলেছে অ্যাম্বুলেন্স

মেয়াদ উত্তীর্ণ নথি নিয়ে ডোমকলে চলেছে অ্যাম্বুলেন্স
  • ১৪ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, ডোমকল: খাঁজকাঁটা টায়ার ক্ষয়ে মসৃণ হয়ে গিয়েছে। গায়ে দুর্ঘটনার ‘ক্ষতচিহ্ন’। বাইরের চেহারা দেখে যা আন্দাজ করা যাচ্ছে, নথি পড়লে আর সন্দেহের অবকাশ থাকছে না। রাস্তায় চলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মেয়াদ বহু আগেই ফুরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু সেভাবে নথি পরীক্ষা না হওয়ায় দিনের পর দিন ফিটনেস সার্টিফিকেট, ইন্সুরেন্স, ধোঁয়া পরীক্ষার কাগজ ছাড়াই বেশিরভাগ অ্যাম্বুলেন্স চলছে। এমনই পরিস্থিতি ডোমকল মহকুমায়।মুর্শিদাবাদের আরটিও শুভাশিস সরকার অবশ্য বলেন, মুমুর্ষূ রোগী না থাকলে অ্যাম্বুলেন্স দাঁড় করিয়ে তার নথিপত্র যাচাই করা হয়। সেক্ষেত্রে বিমা, দূষণ, ফিটনেস শংসাপত্র ফেল থাকলে জরিমানা করা হয়। ভারতীয় ভেহিকলস্‌ আইন অনুযায়ী, রাস্তায় চলাচলের জন্য প্রতিটি গাড়ির বৈধ কাগজপত্র থাকা আবশ্যক। প্রতিটি গাড়ির ফিটনেস সার্টিফিকেট, বিমা, ধোঁয়া পরীক্ষার কাগজপত্র থাকা দরকার। এগুলি না থাকলে কিংবা এধরনের নথির মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে মোটা টাকা জরিমানার মুখে পড়তে হয়। এই নিয়ম মানা সমস্ত গাড়ির ক্ষেত্রে জরুরি। তা সে গাড়ি অ্যাম্বুলেন্সই হোক না কেন। কিন্তু অভিযোগ, আঞ্চলিক পরিবহণ দপ্তরের তরফে অন্য গাড়ির উপর নজরদারি চললেও অ্যাম্বুলেন্সের ক্ষেত্রে সচরাচর নথি যাচাই হয় না। সেই সুযোগেই বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই প্রচুর অ্যাম্বুলেন্স চলাচল করছে।
Advertisement
কিন্তু কেন অ্যাম্বুলেন্সের উপর তেমন নজরদারি হয় না? প্রশাসনের আধিকারিকরা জানান, গোপন সূত্রে কোনও খবর না থাকলে অ্যাম্বুলেন্স তেমন আটকানো হয় না। তাছাড়া, বেশিরভাগ সময়েই অ্যাম্বুলেন্সে রোগী থাকে। রাস্তার মাঝে আশঙ্কাজনক রোগী নিয়ে যাওয়া অ্যাম্বুলেন্স আটকে নথি যাচাই তো সম্ভব নয়। আবার ফাঁকা অ্যাম্বুলেন্স আটকালেও চালকরা তাড়াহুড়ো দেখিয়ে বলে, তাদের এক্ষুনি রোগীর বাড়ি যেতে হবে।আঞ্চলিক পরিবহণ দপ্তরের এক আধিকারিকের কথায়, সাধারণত ব্রেকের অবস্থা, লাইট, যাত্রীর নিরাপত্তা, টায়ার-এসব দেখে গাড়িকে ফিটনেস সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। গাড়ির ফিটনেস সার্টিফিকেট না থাকলে তা রাস্তায় বের করা আইনত অপরাধ। কারণ এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেশি থাকে।
সম্পর্কিত সংবাদ