Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পূর্ব কলকাতা জলাভূমি নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা মেয়রের, প্রস্তাব রাজ্যকে

পূর্ব কলকাতা জলাভূমি রক্ষায় পদক্ষেপ করতে চান কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। বর্তমানে পূর্ব কলকাতা জলাভূমি কী অবস্থায় রয়েছে, কতটা জলাভূমি রয়েছে, কত পরিমাণ জমি পড়ে রয়েছে, তার সমীক্ষা থেকে সীমানা নির্ধারণ এবং ইকো ট্যুরিজম করার বিষয়গুলি খতিয়ে দেখার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।

পূর্ব কলকাতা জলাভূমি নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা মেয়রের, প্রস্তাব রাজ্যকে
  • ৫ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পূর্ব কলকাতা জলাভূমি রক্ষায় পদক্ষেপ করতে চান কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। বর্তমানে পূর্ব কলকাতা জলাভূমি কী অবস্থায় রয়েছে, কতটা জলাভূমি রয়েছে, কত পরিমাণ জমি পড়ে রয়েছে, তার সমীক্ষা থেকে সীমানা নির্ধারণ এবং ইকো ট্যুরিজম করার বিষয়গুলি খতিয়ে দেখার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। এই জলাভূমি এলাকায় কোনও কাজ করতে হলে ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথরিটির অনুমোদন প্রয়োজন। এটি মূলত পরিবেশ দপ্তরের আওতাধীন। ফলে এই জায়গা উন্নয়নের জন্য কলকাতা পুরসভার হাতে দিতে রাজ্যের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার এ কথা জানান মেয়র। 

Advertisement

উল্লেখ্য রামসর চুক্তি অনুযায়ী, ইস্ট কলকাতা ওয়েটল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথরিটির অধীনে আছে এই জমি। বেআইনি দখলদারির জেরে তা হারিয়ে যেতে বসেছে। যতটুকু জায়গা বেঁচে রয়েছে সেখানে যাতে দখলদারি না হয় তার জন্য পদক্ষেপ করতে চান মেয়র। এদিন তিনি বলেন, ওখানে কিছু কাজ করতে গেলে পরিবেশ দপ্তরের অনুমোদনের প্রয়োজন। আমরা রাজ্যের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছি। অনুমতি পেলে গোটা এলাকা নতুন করে কোথায় কী আছে, তা চিহ্নিত করা হবে। পুরনো যা দখল হয়েছে, বাড়িঘর তৈরি হয়েছে, সেখানে কিছু করা সম্ভব নয়। কিন্তু যতটুকু জায়গা এখনও অক্ষত, সেটাকে বাঁচাতে হবে। তাই কোথায় কতটুকু ভূমি রয়েছে, কোথায় জলাশয় আছে, তার সীমানা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে, যাতে নতুন করে আর কেউ দখল করতে না পারে। সেই সঙ্গে ইকো ট্যুরিজমের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। জায়গাটি পরিবেশ দপ্তরের আওতায় থাকবে। কিন্তু জায়গাটি আমরা সুন্দর করে সাজিয়ে তুলতে চাই। পুরসভার আধিকারিকরা জানান, ইস্ট কলকাতা জলাভূমির মাত্র পাঁচ শতাংশ কলকাতা পুর এলাকার মধ্যে রয়েছে। কলকাতার ৫৮, ৫৯, ১০৭ ও ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে তা পড়ে। এই অংশে কেন্দ্রীয় সরকারের বিশেষ গ্রান্টের টাকায় প্রায় এক লক্ষ গাছ রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। মেয়র চাইছেন, পুরসভা জায়গাটি পেলে এই অঞ্চল বাঁচাতে সার্বিক পরিকল্পনা হবে। সেখানে জলাশয়ে হাউজ বোর্ড তৈরি করা যেতে পারে। ইকোপার্কের মতো কিছু বানানো যেতে পারে। তৈরি করা যেতে পারে শহুরে বনাঞ্চল। যা শহরের বুকে নতুন ট্যুরিজম ডেস্টিনেশন হিসেবে প্রকাশ পেতে পারে।

সম্পর্কিত সংবাদ