সোমনাথ চক্রবর্তী, ময়নাগুড়ি: আগামী সোমবার, ৭ এপ্রিল ময়নাগুড়ি শহরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে গণ উপনয়ন। শহিদগড় স্কুলপাড়ার পলাশতলি কালীবাড়ি প্রাঙ্গণে এই আয়োজন করা হয়েছে। এই প্রথম পলাশতলি কালীবাড়ির পক্ষ থেকে গণ উপনয়ন হচ্ছে। এই বিশেষ অনুষ্ঠান ঘিরে শুরু হয়েছে তোড়জোড়। ডেকোরেটর এনে প্যান্ডেল বানানো, লাইটের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।
জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি, মণ্ডলঘাট ছাড়াও শিলিগুড়ি থেকেও এই উপনয়নে যোগদান করতে আসবেন অনেকে। গণ উপনয়নে থাকছেন ১২ জন পুরোহিত। উপনয়নের আয়োজকরা বলেন, পলাশতলি কালীবাড়ি কমিটি গণ উপনয়ন আয়োজন করার জন্য সম্প্রতি ইচ্ছে প্রকাশ করে। সেই ইচ্ছেতে সাড়া দিয়ে অনেকেই এগিয়ে এসেছেন। যাঁরা ময়নাগুড়িতে পুজোর্চনা করেন তাঁদের একটা বড় অংশ এগিয়ে এসেছেন। তাঁদেরই সহযোগিতায় এই বিপুল আয়োজন।
ময়নাগুড়ির পুরোহিত নারায়ণ ভট্টাচার্য, অভিজিৎ চক্রবর্তী, নিতু গোস্বামী, রাম গোস্বামী, পিন্টু ঝা, মনোরঞ্জন ঝা সহ আরও বেশ কয়েকজন পুরোহিত এই অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন। পিন্টু ঝা বলেন, গণ উপনয়নের আগের দিন অর্থাৎ ৬ তারিখ সন্ধ্যা ৬টায় গঙ্গা নিমন্ত্রণে যাওয়া হবে। ৭ তারিখ সকালে মন্দির থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হবে। সেই শোভাযাত্রা ময়নাগুড়ি নতুন বাজার পর্যন্ত হবে। পরে শোভাযাত্রা ফিরে আসবে মন্দির প্রাঙ্গণে। এরপর সকাল ৯টা থেকে মূল উপনয়নের কাজ শুরু হবে। উপনয়ন শেষ হলে ব্রহ্মচারীদের হাতে নিত্যকর্ম পদ্ধতির বই, গীতা প্রদান করা হবে। পরবর্তীতে সব অনুষ্ঠান শেষে প্রসাদ বিতরণ করা হবে। মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের দিন ময়নাগুড়িবাসীকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। বর্তমানে মন্দির কমিটির সভাপতি নৃপেন্দ্রনাথ চাকি, সহ সভাপতি বিজয় রায়। সম্পাদক পদে আছেন দেবদুলাল সরকার, সহ সম্পাদক অর্ধেন্দু রায়। কোষাধ্যক্ষ সুরজিৎ সাহা ও স্বপন ঘোষ। এছাড়াও সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন, সৈকত বসু, বাপি নাগ, তাপস সরকার সহ অন্যান্যরা। নিজস্ব চিত্র।