নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: নাম বদলে বিয়ে করে স্ত্রীর সর্বস্ব লুট করার অভিযোগ উঠল যুবকের বিরুদ্ধে। এমনকী আসল পরিচয় জেনে যাওয়ায় মহিলার উপর চলত নির্মম নির্যাতন। এখন অন্য মহিলাকে নিয়ে সংসার পেতেছে স্বামী। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শাসনে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মিনাখাঁর বাসিন্দা বছর তিরিশের এক যুবতীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে শাসন থানার চোলপুর গ্রামের এক যুবকের। নিজের আসল নাম গোপন করে যুবতীকে প্রেমের জালে ফাঁসায় সে। দু’জনের বিয়ে হয় ২০১৮ সালে। অভিযোগ, এরপর থেকে নানা অছিলায় যুবতীর কাছ থেকে ধাপে ধাপে ১৬ লক্ষ টাকা নেয় সে। পরে জানা যায়, যুবকের নাম আলাদা। তার সঙ্গে একাধিক মহিলার সম্পর্ক রয়েছে। তা জেনে যাওয়ায় অত্যাচার শুরু হয় বলে অভিযোগ। শাসন থানার দ্বারস্থ হন যুবতী। শুক্রবার তিনি বলেন, আসল নাম গোপন করে আমার সঙ্গে প্রেম ও পরে বিয়ে করে। একাধিক মহিলার সঙ্গে ওর সম্পর্ক। এগুলি জানার পরই আমার উপর শুরু হয় মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার। ওর মারে আমার চোখ নষ্ট হয়েছে। একবার গর্ভপাত করতে হয়েছে। ধাপে ধাপে ১৬ লক্ষ টাকা নিয়েছে। আমি সংসার করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পরে জানতে পারলাম, আমার স্বামী আসলে উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। এক মহিলার সঙ্গে বিয়ে করে সন্ডালিয়ায় ভাড়া থাকছে। আমি নিজে গিয়ে দেখে এসেছি। আমি ওর কঠোর শাস্তি চাই। শাসন থানার পুলিস জানিয়েছে, বধূ নির্যাতনের অভিযোগ হয়েছিল। মহিলার স্বামী বেল পেয়েছেন।



