Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

চরস্বরূপগঞ্জের সাহাবাড়ির পুজোয় মানত অনেকেরই

পারিবারিক পুজো হলেও গ্রামের মানুষের সবরকম সহযোগিতায় নবদ্বীপের চরস্বরূপগঞ্জের নির্মলা ভবনের সাহা পরিবারের দুর্গাপুজো সর্বজনীন রূপ পেয়েছে।

চরস্বরূপগঞ্জের সাহাবাড়ির পুজোয় মানত অনেকেরই
  • ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: পারিবারিক পুজো হলেও গ্রামের মানুষের সবরকম সহযোগিতায় নবদ্বীপের চরস্বরূপগঞ্জের নির্মলা ভবনের সাহা পরিবারের দুর্গাপুজো সর্বজনীন রূপ পেয়েছে। এখানে দেবী খুবই জাগ্রত বলে স্থানীয়দের বিশ্বাস। সেকারণে অনেকেই মনোবাসনা পূরণে মানত করেন। সেই মানত পূরণ হলে পুজো দিয়ে যান তাঁরা।

Advertisement

চরস্বরূপগঞ্জের সাহাবাড়িতে বৈষ্ণবমতে পুজো হয়ে আসছে। এবার পুজোর ৪৬তম বর্ষ। প্রথা মেনে পঞ্চমীতে বোধন ও ষষ্ঠীতে অধিবাস। সপ্তমীতে নবপত্রিকা স্নান ও দেবীর ঘট স্থাপনের মধ্য দিয়ে পুজো শুরু হবে। ষষ্ঠীর দিন এই বাড়ির বধূরা সারাদিন মা ষষ্ঠীর ব্রত পালন করেন। রাতে ছ’রকমের সব্জির ঝোল খেয়ে তাঁরা ব্রত ভঙ্গ করেন। পুজোর ক’দিন দেবীকে অন্ন, খিচুড়ি, পুষ্পান্ন, কচুর শাক, চালতার ডাল সহ নানারকমের ভোগ নিবেদন করা হয়। দশমীতে শোভাযাত্রা সহকারে ভাগীরথীতে প্রতিমা নিরঞ্জন হয়। সেদিন সাহা পরিবারের পাশাপাশি গ্রামের অন্য মহিলারাও সিঁদুরখেলায় অংশ নেন। পঞ্চমী থেকে নবমী অবধি সাহা পরিবারের সদস্যরা আমিষ খান না। তবে দশমীর দিন ইলিশ মাছ খাওয়ার রীতি রয়েছে।
পরিবারের তরফে তুলসী সাহা, সুশান্তি সাহা, অপর্ণা সাহারা জানান, নবমীতে দেবীকে কচুর শাক, চালতার টক ডাল নিবেদন করা হয়। এই পরিবারের বধূ অনামিকা, নবনীতা, অর্পিতা, স্বস্তিদীপারা জানান, তাঁরা পুজোর ক’দিন উপোস থেকে সমস্ত আয়োজন করেন। সন্ধিপুজোর সময় ১০৮যোগিনীর উদ্দেশে কচুপাতায় নৈবেদ্য রাখা, ১০৮টি প্রদীপ জ্বালানো-সবই তাঁরা করেন।
অমলেন্দু সাহা ও অর্ধেন্দুশেখর সাহা বলেন, গ্রামের বাসিন্দারা এই পুজোর জন্য বছরভর অপেক্ষা করে থাকেন। অষ্টমীতে এলাকার অনেকেই আমাদের বাড়িতে অঞ্জলি দেন। কেউ কেউ মানতের পুজো দিয়ে যান। বাড়ির দুই খুদে অভিমুক্ত ও অণংশা জানাল, পুজোর সময় পড়া থেকে ছুটি মেলে। সারাদিন খেলা করে আনন্দে সময় কাটে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ