নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: বৃষ্টির জেরে ও জলাধার থেকে জলে ফুঁসছে কংসাবতী। এর ফলে মেদিনীপুর সদর ব্লকের মণিদহ ও চাঁদড়া পঞ্চায়েত এলাকায় ১০০বিঘার বেশি জমি তলিয়ে গিয়েছে। কৃষিজমি ও ভিটেমাটি খুইয়েছে গ্রামের মানুষ। বৃহস্পতিবার ভাঙন-কবলিত এলাকা পরিদর্শন করলেন রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, স্থানীয় বিধায়ক সুজয় হাজরা সহ অন্য জনপ্রতিনিধিরা। ভাঙনে মণিদহ এলাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। সেখানে ৬০-৭০বিঘা জমি নদীগর্ভে চলে গিয়েছে। দু’টি পঞ্চায়েতে অনেকেরই বাড়িঘরের চিহ্নটুকু নেই। একে হাতির তাণ্ডব, তার উপর নদী ভাঙনে চাষিরা ব্যাপক সমস্যায় পড়েছেন। সুজয় হাজরা বলেন, রাজ্য সরকার তাড়াতাড়ি এবিষয়ে ব্যবস্থা নেবে। আশা করছি, শীঘ্রই সমস্যা মিটে যাবে। স্থানীয় বাসিন্দা খোকন ঘোষ বলেন, আমাদের এলাকায় নদীভাঙনের সমস্যা দীর্ঘদিনের। ভাঙনে লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়ে গেল। এদিন স্থানীয় বিধায়ক ও মন্ত্রী মানুষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলেন। আশা করছি, এবার কাজ হবে। চাঁদড়া পঞ্চায়েতের বাসিন্দা সন্তোষ রানা নদীর ধারে দাঁড়িয়ে বলেন, এখানে তিনশোর বেশি বাড়ি ছিল। এখন খুব বেশি হলে ৫০টা বাড়ি টিকে আছে। আগে আমাদের গ্রাম অনেক বড় ছিল। কিন্তু দিন দিন গ্রামের জায়গা কমে আসছে। মেদিনীপুর সদর ব্লকে নদী-তীরবর্তী মণিদহ, চাঁদড়া, কনকাবতী পঞ্চায়েতের মানুষের মূল সমস্যা নদীভাঙন। এর জেরে শতাধিক মানুষ ভিটেমাটি হারিয়েছেন। শুধু চাঁদড়া পঞ্চায়েতের উপরডাঙ্গা এলাকায় হাজার বিঘা জমি নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। এছাড়া, ভাটপাড়া সহ নানা এলাকার মানুষ ভাঙনের সমস্যায় পড়েছেন।



