Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

উঠে যাচ্ছে ম্যানুয়াল প্রথা, সার্টিফিকেট পেতে আবেদন করতে হবে অনলাইনে

শহরবাসীর হয়রানি কমাতে আজ থেকে কৃষ্ণনগর পুরসভায় চালু হচ্ছে ডিজিটাল পরিষেবা।

উঠে যাচ্ছে ম্যানুয়াল প্রথা, সার্টিফিকেট পেতে আবেদন করতে হবে অনলাইনে
  • ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০২
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: শহরবাসীর হয়রানি কমাতে আজ থেকে কৃষ্ণনগর পুরসভায় চালু হচ্ছে ডিজিটাল পরিষেবা। পুরসভার বিভিন্ন শংসাপত্রের জন্য এবার অনলাইনে আবেদন, ট্র্যাকিং ও ডাউনলোড সবই করা যাবে। এর ফলে বারবার পুরসভায় ছুটতে হবে না। ম্যানুয়াল পদ্ধতি তুলে দিয়ে স্বচ্ছতা ও দ্রুততার উপর জোর দিচ্ছে পুর কর্তৃপক্ষ।নতুন ব্যবস্থায় অনলাইনে শংসাপত্রের জন্য আবেদন করা যাবে। পাশাপাশি আবেদন কোন পর্যায়ে রয়েছে তা রিয়েল-টাইমে ট্র্যাক করা যাবে এবং কাজ সম্পন্ন হলে অনলাইন থেকেই শংসাপত্র ডাউনলোড করা সম্ভব হবে। কোনো কারণে শংসাপত্র বাতিল হলে তার কারণও জানিয়ে দেবে পুরসভা। সব মিলিয়ে নতুন বছরে শহরবাসীর সার্টিফিকেট সংক্রান্ত ঝক্কি কমাতেই এই উদ্যোগ।কৃষ্ণনগর পুরসভার প্রশাসক শারদ্বতী চৌধুরী বলেন, সমস্ত শংসাপত্রই অনলাইনে পাওয়া যাবে। এর ফলে শহরের মানুষ উপকৃত হবেন। বাড়িতে বসেই শংসাপত্র পাবেন। যদি কোনো কারণে শংসাপত্র বাতিল হয়, সেটাও তাঁরা জানতে পারবেন।‌ কৃষ্ণনগর পুরসভার তরফ থেকে ইনকাম সার্টিফিকেট, ওয়ারিশান সার্টিফিকেট, আবাসিক সার্টিফিকেট সহ একাধিক শংসাপত্র প্রদান করা হয়। এতদিন এসব শংসাপত্র পেতে আবেদনকারীদের সশরীরে পুরসভায় উপস্থিত হতে হতো। সময়মতো শংসাপত্র না পাওয়া নিয়ে অতীতে একাধিক অভিযোগও উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রেই আবেদনকারীরা জানতেই পারতেন না, শংসাপত্র কোন স্তরে আটকে রয়েছে বা কেন দেরি হচ্ছে। যার ফলে ক্ষোভ বাড়ছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে।আগে পুরসভায় এসে আবেদনপত্র জমা দিতে হতো। সেই আবেদনপত্র তদন্ত অফিসারের কাছে যেত। তদন্ত রিপোর্ট পাঠানো হতো এগজিকিউটিভ অফিসারের কাছে। ধাপে ধাপে দীর্ঘ প্রক্রিয়া পেরিয়ে তবেই শংসাপত্র পৌঁছত আবেদনকারীর হাতে। এই দীর্ঘসূত্রিতা কাটাতেই পুরো প্রক্রিয়াকে ডিজিটাল করা হল। 

Advertisement


পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, শংসাপত্র পেতে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ফাইল কোন পর্যায়ে রয়েছে তা নিজেই ট্র্যাক করতে পারবেন আবেদনকারীরা। কাজ শেষ হলে অনলাইনে শংসাপত্র ডাউনলোড করা যাবে। ফলে অহেতুক পুরসভায় আসতে হবে না। সূত্র অনুযায়ী, আবেদন করতে প্রথমে রেজিস্ট্রেশন লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে। আবেদনকারীর পূর্ণ নাম, আধার কার্ডে উল্লেখিত নামের সঙ্গে মিলতে হবে। বৈধ ই-মেল আইডি দিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতের সব বিজ্ঞপ্তি ও আপডেট পাওয়া যায়। পাশাপাশি দশ সংখ্যার সচল মোবাইল নম্বর প্রদান করতে হবে। ফর্মে আবেদনকারীর আধার নম্বর ও সঠিক জন্মতারিখ উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। একবার জন্মতারিখ নথিভুক্ত হলে তা প্রোফাইলে লক হয়ে যাবে এবং পরিবর্তন করা যাবে না। এছাড়া বর্তমান বসবাসের ওয়ার্ড নম্বর নির্বাচন করতে হবে এবং একটি পাসওয়ার্ড তৈরি করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ