নয়াদিল্লি: দীর্ঘদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কোনো মহিলাকে দেখা যায়নি। তবে সেই সময় আসন্ন। এমনটাই মনে করছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর মিডিয়া উপদেষ্টা সঞ্জয় বারু। তাঁর দাবি, দেশের রাজনীতিতে আবারও একজন মহিলাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখার সময় এসেছে। তিনি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিরোধী শিবিরের নেতৃত্বে নতুন ভাবনার প্রয়োজন। সেই জায়গায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো শক্তিশালী ও অভিজ্ঞ নেত্রী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন। তাঁর মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় রাজনীতির নেতৃত্ব পুরুষদের হাতে থাকায় এক্ষেত্রে মহিলাদের সম্ভাবনা যথাযথ গুরুত্ব পায়নি। অথচ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মহিলাদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ক্রমশ বেড়েছে।
সঞ্জয় বারু আরও বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনিক দক্ষতা ও রাজনৈতিক দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছেন। বিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষেত্রে তিনি সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা নিতে পারেন। আগামীদিনে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র মুখ হিসেবে তৃণমূল সুপ্রিমোকেই দেখতে চাইছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে ঘাসফুল শিবিরের তরফে প্রতিক্রিয়ায় বলা হয়েছে, নারী নেতৃত্ব ও ক্ষমতায়নের প্রশ্নে দল সবসময় অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিরোধী ঐক্যের ওপর।
অন্যদিকে, কংগ্রেস শিবিরে নতুন অস্বস্তি। এবার প্রবীণ কংগ্রেস নেতা মনি শংকর আইয়ারের মন্তব্যে ফের শোরগোল। কেরলে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস জিততে পারবে না বলে দাবি করেন। ওই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নেরও প্রশংসা করেন। এর জেরে অস্বস্তিতে পড়ে কংগ্রেস। দলের নেতা পবন খেরা বলেন, আইয়ারের সঙ্গে কংগ্রেসের কোনও সম্পর্কই নেই। এরপরই এক সাক্ষাৎকারে খেরাকে ‘পুতুল’ বলে কটাক্ষ করেন। শুধু তাই নয়, শশী তারুর বিদেশমন্ত্রী হতে চান বলেও কটাক্ষ করেন আইয়ার। জয়রাম রমেশের
মতো কংগ্রেস নেতাকেও নিশানা করেন তিনি।