নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: যুবক মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক ওষুধের ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে পুলিসের দ্বারস্থ মৃতের পরিবার। ঘটনার তদন্তে নামল রায়গঞ্জ থানার পুলিস।
নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: যুবক মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক ওষুধের ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে পুলিসের দ্বারস্থ মৃতের পরিবার। ঘটনার তদন্তে নামল রায়গঞ্জ থানার পুলিস।
অভিযোগ, প্রেসক্রিপশন ছাড়াই ৩০টি ঘুমের ওষুধ ওই যুবককে বিক্রি করা হয়েছিল ওই দোকান থেকে। মাত্রাতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে মৃত্যু হয় সুবোধ বর্মনের (২২)। তাঁর বাড়ি রায়গঞ্জের পানিশালা শীতগ্রাম এলাকায়। রায়গঞ্জ থানার আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকারের বক্তব্য, এক যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ দেওয়ার অভিযোগ এসেছে। আমরা মামলা রুজু করে বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।
মৃতের বাবা পরেশ বর্মনের অভিযোগ, ২ জুন ছেলেকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করি। জানতে পারি একসঙ্গে অনেক ঘুমের ওষুধ খেয়েছে সে। শেষপর্যন্ত মঙ্গলবার সকালে মেডিক্যালেই ওর মৃত্যু হয়। এরপরই জানা যায়, অনলাইন পেমেন্টের মাধ্যমে সে এলাকার এক ওষুধের দোকানির কাছ থেকে ৩০ টি ঘুমের ওষুধ কেনে। নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দেওয়া সেই দোকানি বিনা প্রেসক্রিপশনেই ওই ওষুধ আমার ছেলেকে বিক্রি করেন। আর এতেই শেষপর্যন্ত ওর মৃত্যু হল।
মৃত যুবকের কাকা কালু বর্মন বলেন, শুধু আমার ভাইপো নয়, মেয়ে, এক ভাইঝিকেও ওই চিকিৎসক পরিচয় দেওয়া যুবক বিনা প্রেসক্রিপশনে ঘুমের ওষুধ বিক্রি করেছে।
যদিও বেঙ্গল কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের উত্তর দিনাজপুরের জেলা সম্পাদক নিতাই কর বলেন, ঘুমের ওষুধ বিনা প্রেসক্রিপশনে দেওয়ার নিয়ম নেই। এ ব্যাপারে ড্রাগ কন্ট্রোল ও আমাদের সংগঠনের স্পষ্ট বিধিনিষেধ আছে। এই কাজ যদি আমাদের সংগঠনেরও কেউ করে থাকে, সে ক্ষেত্রে আমরা তাদের পাশে থাকি না।