নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই সামাজিক বিভাজনের রাজনীতিতে শান দিচ্ছে গেরুয়া শিবির। কৃষ্ণনগরের জনসভা থেকে তার পাল্টা সম্প্রীতির বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, ‘আমি সাম্প্রদায়িকতায় বিশ্বাস করি না। আমি ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাস করি। আমি সব ধর্মকে নিয়ে চলতে চাই।’ সীমান্তের জেলা নদীয়ায় মুখ্যমন্ত্রীর এই বার্তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন অনেকে। কারণ নদীয়া জেলার উত্তর ও দক্ষিণভাগে মতুয়া এবং সংখ্যালঘু ভোট ফ্যাক্টর। বিজেপিকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, ‘বিজেপি নির্বাচন এলে কাউকে কাউকে টাকা দিয়ে কিনে নিয়ে ধর্মে-বর্ণে ভোট ভাগাভাগি করতে চায়। আমি সেটা করি না।’
তিনি বলেন, ‘বিজেপি মাছ মাংস খেতে দেয় না। আমি আদিবাসী, সংখ্যালঘু, তপশিলি, মতুয়া, রাজবংশী, কামতাপুরী এবং হিন্দিভাষী যাঁরা আমার রাজ্যে আছেন তাদের উপর হস্তক্ষেপ করতে দেব না। আমি সসম্মানে তাঁদের রক্ষা করব।’ পাশাপাশি বাংলা বিদ্বেষী মানসিকতা নিয়েও বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বাংলা ভাষায় কথা বলায় আজও ওড়িশায় নদীয়ার কয়েকজনকে ডিটেনশন ক্যাম্পে আটকে রেখেছে। উত্তরপ্রদেশে বাংলা ভাষায় কথা বললে, ওদের বাংলাদেশি বলে তাড়িয়ে দিচ্ছে। অত্যাচার করছে, মারছে। দিল্লিতে বাংলা ভাষায় কথা বলেছে বলে ঘর কেড়ে নিয়েছ। বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিয়েছিলে আমাদের এক বোনকে।’
আরও বলেন, ‘বিজেপি মাছ মাংস খেতে দেয় না। আমি আদিবাসী, সংখ্যালঘু, তপশিলি, মতুয়া, রাজবংশী, কামতাপুরী এবং হিন্দিভাষী যারা আমার রাজ্যে আছেন তাদের উপর হস্তক্ষেপ করতে দেব না। আমি সসম্মানে তাঁদের রক্ষা করব।’ সেইসঙ্গে বাংলার মনীষীদের প্রতি বিজেপি নেতাদের তীর্যক মন্তব্য নিয়ে গেরুয়া শিবিরকে তুলোধোনা করতে ছাড়েননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বাংলার মাটি চেনে না বিজেপি। নির্বাচনের সময় লিখে দেবে আর পড়ে এসে বলবে।