Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অনুষ্ঠান মঞ্চে ‘সোনার’ মেয়ে স্বপ্নাকে ডেকে নিলেন মমতা

মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস অনুষ্ঠানের মঞ্চে সোনার মেয়ে স্বপ্না বর্মনকে ডেকে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার তিনি স্বপ্নার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথাও বলেন।

অনুষ্ঠান মঞ্চে ‘সোনার’ মেয়ে স্বপ্নাকে ডেকে নিলেন মমতা
  • ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সুব্রত ধর, শিলিগুড়ি: মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস অনুষ্ঠানের মঞ্চে সোনার মেয়ে স্বপ্না বর্মনকে ডেকে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার তিনি স্বপ্নার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথাও বলেন। এনিয়ে আপ্লুত সোনার মেয়ে। একইসঙ্গে এদিনের মঞ্চে ছিলেন আরএক ‘রিলস স্টার’ রোমারেশমি এক্কা। তিনি শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি। এঁদের মধ্যে প্রথমজন রাজবংশী, দ্বিতীয়জন আদিবাসী। বিধানসভা ভোটের মুখে তাঁদের ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জল্পনা। জলপাইগুড়ি জেলার পাহাড়পুর পূর্ব ডিমাপাড়ার মেয়ে স্বপ্না। উত্তরবঙ্গ তো বটেই, দেশের অ্যাথলিটদের মধ্যে অন্যতম। এশিয়াডে তিনি স্বর্ণপদক পেয়েছেন। রাজ্য সরকার তাঁকে খেলাশ্রী এবং কেন্দ্রীয় সরকার অর্জুন পুরষ্কার দিয়েছে। সাত বছর ধরে রেলে চাকরি করছেন। এদিন মাটিগাড়ায় মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে যোগ দেন স্বপ্না। তাঁকে মঞ্চে ডেকে নেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। তিনি হাজির অতিথিদের সঙ্গে স্বপ্নার পরিচয় করিয়ে দেন। পরে স্বপ্না বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি অ্যাথলিটদের জন্য লড়াই করছি। এজন্য আমাকে উৎসাহিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। দিদি আমাকে খুব স্নেহ করেন। কিছুক্ষণ কথাও বলেছেন। আমি আপ্লুত।

Advertisement

কয়েকদিন আগে জলপাইগুড়ি সহ উত্তরবঙ্গে খেলাধুলোর পরিকাঠামোর মান নিয়ে সরব হয়েছিলেন স্বপ্না। তিনি রাজনীতির ময়দানে নামার ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে কেন্দ্রের মন্ত্রী ও বিজেপির নেতা যোগাযোগ করেছিলেন বলেও খবর। এমন প্রেক্ষাপটে স্বপ্নাকে মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে ডেকে মুখ্যমন্ত্রী মাস্টার স্ট্রোক দিয়েছেন বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা। স্বপ্না অবশ্য বলেন, এদিনের অনুষ্ঠান ছিল সরকারি। সেখানে দিদির সঙ্গে অনেক কথা হয়েছে। সেগুলি বলা সম্ভব নয়। তবে স্থানীয়দের পাশাপাশি খেলাধুলোর পরিকাঠামোর উন্নয়ন নিয়ে লড়াই চালিয়ে যেতে চাই। এজন্য যা করার তাই করব।

এদিকে, আদিবাসী মুখ রোমাও ছিলেন মঞ্চে। রোমা অবশ্য বলেন, এমন অনুষ্ঠানের মঞ্চে এই প্রথম স্থান পেয়েছি। মন্দিরের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য করা হয়েছে। এতে ভালো লাগছে। এরবাইরে আমি দলের সৈনিক। মহকুমা পরিষদের সহকারী সভাপতি হিসেবে গ্রামবাসী ও দলের দায়িত্ব পালন করছি।   নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ