সন্দীপন দত্ত, মালদহ: কর্মচারী আন্দোলনকে আরও সুসংহত করতে গড়ে তুলতে হবে ঐক্যবদ্ধ লড়াই। সংগঠিত করতে হবে জোরাল আন্দোলন। সেই লক্ষ্যেই রাজ্য নেতৃত্বের উপস্থিতিতে শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের মালদহ জেলা কমিটির বৈঠক হল। সংগঠনের মালদহ জেলা সভাপতি চিরঞ্জীব মিশ্র বলেন, সংগঠনকে কীভাবে শক্তিশালী করে গড়ে তোলা যায়, তা নিয়েই এদিন রাজ্য নেতৃত্বের উপস্থিতিতে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত সরকার গত ১৪ বছর ধরে নানা জনমুখী প্রকল্পের সূচনা করেছে। যার মধ্যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, স্বাস্থ্যসাথী, কন্যাশ্রী, কৃষক বন্ধু, সবুজসাথী অন্যতম। এই সমস্ত প্রকল্প রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের মাধ্যমে রাজ্যের মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে সরকার। রাজ্য সরকারের প্রকল্প সমূহ মানুষের কাছে পৌঁছনোর ক্ষেত্রে সংগঠনের কী কী দায়িত্ব রয়েছে, এদিন সেই সম্পর্কেও সংগঠনের সদস্যদের স্পষ্ট ধারণা দেওয়া হয়।
এদিন মালদহ জেলার ৩৬টি দপ্তরের কর্মীদের নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশন গড়ে উঠেছে।
প্রত্যেকটি দপ্তর ধরে ধরে সংগঠনের হাল হকিকত সম্পর্কেও বিস্তারিত আলোচনা চলে। দপ্তর ভিত্তিক কর্মচারীরা কী কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন, তা নিয়েও দীর্ঘ আলোচনা চলে।
শুক্রবার সকালে বৈঠকের আগে বাইক র্যালি করেন কর্মচারী ফেডারেশনের সদস্যরা। ১২০০ বাইক নিয়ে মালদহ টাউন স্টেশন থেকে শুরু করে রথবাড়ি মোড়, রবীন্দ্র অ্যাভিনিউ, পোস্টঅফিস মোড়, সেতু মোড় হয়ে মহানন্দা ভবনে র্যালি শেষ হয়। সেখানেই এদিন সংগঠনের রাজ্য নেতৃত্বের উপস্থিতিতে জেলা কমিটির বৈঠকটি হয়।
চিরঞ্জীব মিশ্র আরও বলেন, এদিনের বৈঠক থেকেই অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের জন্য নতুন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশন পেনশনার্স শাখা গঠিত হল। রাজ্য আহ্বায়ক হয়েছেন প্রতাপ নায়েক, স্টিয়ারিং কমিটির নেতৃত্বে নবেন্দু ভট্টাচার্য, বারীন মজুমদার, শ্যামল পট্টনায়েক, প্রগ্রেসিভ ইঞ্জিনিয়ার্সের অনির্বাণ ওঝা, শিক্ষা শাখার সভাপতি রঞ্জিত দত্ত, পেনশনার্স শাখার সভাপতি হয়েছেন সুনীল কর। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের র্যালি।-নিজস্ব চিত্র