মুম্বই: গ্রামের প্রথম মেয়ে হিসাবে বাণিজ্যিক বিমানে চাকরি পেয়েছিলেন নভি মুম্বইয়ের মৈথিলি পাতিল। আমেদাবাদের ভয়াবহ বিমান দুঘর্টনায় মৈথিলির মৃত্যুর খবর আসতেই শোকের ছায়া নভি মুম্বইয়ের নহবা গ্রামে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, স্কুল জীবন থেকেই অ্যাভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করার স্বপ্ন ছিল মৈথিলির। লেডি খাতুন মরিয়াম স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা দাইসাম্মা পাল জানিয়েছেন, ‘ছাত্রী হিসাবে শান্ত ও শৃঙ্খলাপরায়ণ ছিল মৈথিলি। এয়ার ইন্ডিয়ায় যোগ দেওয়ার পরও নিয়মিত যোগাযোগ ছিল স্কুলের সঙ্গে। দু’মাস আগেও স্কুলে গিয়ে পড়ুয়াদের গাইড করে গিয়েছিল।’ দুঘর্টনার খবর পেয়ে দ্রুত আমেদাবাদ গিয়েছে মৈথিলির পরিবার। মেয়ের ঝলসে যাওয়া দেহ শনাক্তের অপেক্ষা করছেন তাঁরা। পাশের গ্রামে মৈথিলিদের এক আত্মীয় জানিয়েছেন, ‘ওর বাবা মোরেশ্বর পাতিল ছিলেন একজন ওএনজিসি কর্মী। আর্থিক স্বচ্ছলতা না থাকলেও মেয়ের পড়াশোনায় কোনওদিন তার প্রভাব পড়তে দেননি তিনি।’



