নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ ও সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: মা সারদার আবির্ভাব তিথি উপলক্ষ্যে রবিবার মাতৃধাম জয়রামবাটিতে ভক্তের ঢল নামে। এদিন ভোর থেকেই মাতৃধামে বিশেষ পুজো শুরু হয়। সকালে প্রভাতফেরি এবং দিনভর ভক্তিমূলক নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনটি পালিত হয়। এবারই প্রথম জয়রামবাটিতে সারদা মেলার আয়োজন করা হয়। ভক্তরা মাতৃ দর্শনের পাশাপাশি মেলার আনন্দ উপভোগ করেন। কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনেও উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়। মঠ চত্বর সাজিয়ে তোলা হয়। দূর দূরান্ত থেকে ভক্তরা আসেন। মঠ সূত্রে জানা গিয়েছে, সারদা মায়ের জন্মতিথি উপলক্ষ্যে মঙ্গলারতি, হোম, চণ্ডীপাঠ ভজন অনুষ্ঠান হয়। হাজার খানেকের বেশি ভক্ত প্রসাদ গ্রহণ করেন।
Advertisement
কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী লোকোত্তরানন্দজি মহারাজ বলেন, আমাদের সমস্ত গেস্ট হাউসে ভক্তরা রয়েছেন। বাইরে থেকেও অনেকে এসেছেন। ঠাকুর, মায়ের জীবনী পাঠও হয়েছে।
মাতৃ মন্দিরের মুখপাত্র স্বামী পররূপানন্দজি বলেন, জয়রামবাটিতে মা সারদা ৬০বছর কাটিয়েছেন। তাঁর ১৭২ তম আবির্ভাব তিথিতে এদিন জয়রামবাটিতে দূর দূরান্ত থেকে ভক্ত সমাগম হয়। ভোর থেকে বিশেষ পুজো সহ ভক্তিমূলক নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জন্মতিথি পালন করা হয়। মাতৃমন্দির সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ভোর সাড়ে ৪টেয় মঙ্গলারতি শুরু হয় তারপর ক্রমান্বয়ে বেদপাঠ, স্তবগান ও মায়ের বিশেষ পুজো হয়। অধ্যক্ষ সহ অন্যান্য মহারাজরা পুজো অর্চনায় মগ্ন হন। দিনভর ভক্তিমূলক নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মাতৃ আরাধনা চলে। সকালে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা জয়রামবাটি গ্রাম প্রদক্ষিণ করে। পরে ভক্তিগীতি, হোম এবং গীতিআলেখ্য হয়। দুপুরে বাউল সঙ্গীত এবং বিকেলে ধর্ম সভা হয়। সন্ধ্যায় ভজন ও আরতি হয়। দুপুরে প্রায় ১৪ হাজার ভক্তকে প্রসাদ বিলি করা হয়। এদিন বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাতৃধামে ভক্তের ঢল নামে। দূর দূরান্ত থেকে আসা ভক্তরাও মায়ের সামনে আরাধনায় বসেন। অনেকেই আগের দিন থেকে মাতৃধামে চলে আসেন। তাঁরা এদিন সকালে শোভাযাত্রায় অংশ নেন।
কলকাতার বউবাজারের বাসিন্দা বেলা চৌধুরী বলেন, দু’বছর আগে একাই জয়রামবাটি এসেছিলাম। এবার সপরিবারে এসেছি। মাতৃমন্দিরে এলে মনে প্রশান্তি আসে। বিশেষ করে জন্মতিথি উপলক্ষ্যে মাতৃ আরাধনায় অংশ নিতে পেরে নিজেদের ধন্য মনে হচ্ছে।
হাওড়ার বাসিন্দা কৌশিক রায় বলেন, বিশ্বজননী মা সারদার চরণে ক্ষণিকের আশ্রয় আগামী দিনে পথ চলার অনুপ্রেরণা জোগায়। তাই সুযোগ পেলেই মাঝে মাঝে জয়রামবাটিতে ঘুরে যাই। তবে মায়ের জন্মতিথি উপলক্ষ্যে এবারই প্রথম এলাম। মায়ের টানে এদিন এত মানুষের ভিড় দেখে আমি আপ্লুত হয়ে গিয়েছি।
স্থানীয় বাসিন্দা বিশ্বজিৎ সেন বলেন, এবারই প্রথম আমরা জয়রামবাটিতে আমোদর নদের তীরে সাতদিনের সারদা মেলার আয়োজন করেছি। খুব ভালো সাড়া পাওয়া গিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা বাসুদেব মুখোপাধ্যায় বলেন, এদিন গোটা মন্দির চত্বরে কার্যত তিলধারণের জায়গা ছিল না। রাস্তাজুড়ে ভক্তদের যানবাহনে ভর্তি ছিল। ভিড়ের কারণে বিভিন্ন দোকানেও ভালো বিক্রি হয়েছে।
মাতৃ মন্দিরের মুখপাত্র স্বামী পররূপানন্দজি বলেন, জয়রামবাটিতে মা সারদা ৬০বছর কাটিয়েছেন। তাঁর ১৭২ তম আবির্ভাব তিথিতে এদিন জয়রামবাটিতে দূর দূরান্ত থেকে ভক্ত সমাগম হয়। ভোর থেকে বিশেষ পুজো সহ ভক্তিমূলক নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জন্মতিথি পালন করা হয়। মাতৃমন্দির সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ভোর সাড়ে ৪টেয় মঙ্গলারতি শুরু হয় তারপর ক্রমান্বয়ে বেদপাঠ, স্তবগান ও মায়ের বিশেষ পুজো হয়। অধ্যক্ষ সহ অন্যান্য মহারাজরা পুজো অর্চনায় মগ্ন হন। দিনভর ভক্তিমূলক নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মাতৃ আরাধনা চলে। সকালে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা জয়রামবাটি গ্রাম প্রদক্ষিণ করে। পরে ভক্তিগীতি, হোম এবং গীতিআলেখ্য হয়। দুপুরে বাউল সঙ্গীত এবং বিকেলে ধর্ম সভা হয়। সন্ধ্যায় ভজন ও আরতি হয়। দুপুরে প্রায় ১৪ হাজার ভক্তকে প্রসাদ বিলি করা হয়। এদিন বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাতৃধামে ভক্তের ঢল নামে। দূর দূরান্ত থেকে আসা ভক্তরাও মায়ের সামনে আরাধনায় বসেন। অনেকেই আগের দিন থেকে মাতৃধামে চলে আসেন। তাঁরা এদিন সকালে শোভাযাত্রায় অংশ নেন।
কলকাতার বউবাজারের বাসিন্দা বেলা চৌধুরী বলেন, দু’বছর আগে একাই জয়রামবাটি এসেছিলাম। এবার সপরিবারে এসেছি। মাতৃমন্দিরে এলে মনে প্রশান্তি আসে। বিশেষ করে জন্মতিথি উপলক্ষ্যে মাতৃ আরাধনায় অংশ নিতে পেরে নিজেদের ধন্য মনে হচ্ছে।
হাওড়ার বাসিন্দা কৌশিক রায় বলেন, বিশ্বজননী মা সারদার চরণে ক্ষণিকের আশ্রয় আগামী দিনে পথ চলার অনুপ্রেরণা জোগায়। তাই সুযোগ পেলেই মাঝে মাঝে জয়রামবাটিতে ঘুরে যাই। তবে মায়ের জন্মতিথি উপলক্ষ্যে এবারই প্রথম এলাম। মায়ের টানে এদিন এত মানুষের ভিড় দেখে আমি আপ্লুত হয়ে গিয়েছি।
স্থানীয় বাসিন্দা বিশ্বজিৎ সেন বলেন, এবারই প্রথম আমরা জয়রামবাটিতে আমোদর নদের তীরে সাতদিনের সারদা মেলার আয়োজন করেছি। খুব ভালো সাড়া পাওয়া গিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা বাসুদেব মুখোপাধ্যায় বলেন, এদিন গোটা মন্দির চত্বরে কার্যত তিলধারণের জায়গা ছিল না। রাস্তাজুড়ে ভক্তদের যানবাহনে ভর্তি ছিল। ভিড়ের কারণে বিভিন্ন দোকানেও ভালো বিক্রি হয়েছে।



