সংবাদদাতা, দিনহাটা: শনিবার বাংলাদেশ সীমান্তের ‘শ্রীলঙ্কা’য় হাজির হন কোচবিহার জেলা পুলিস সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য। জেলার শীর্ষ পুলিস কর্তাকে সামনে দেখে নিজেদের দুর্দশার কথা জানান স্থানীয়রা। সিঙ্গিমারী নদীর ভাঙনের জন্য বসতভিটে হারাতে হচ্ছে তাদের। নদী পেরিয়ে পড়াশুনো করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছে ছাত্র-ছাত্রীরা। একদা ধামাইল গাছ নাম হারিয়ে হয়েছে ‘শ্রীলঙ্কা’। নদী ভাঙনের ফলে গ্রামটি এখন নিশ্চিহ্নের দিকে যাচ্ছে। প্রতিবছর একটু একটু করে গ্রামটিকে গিলছে এই নদী। দিনহাটা-১ ব্লকে ওকড়াবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতে অবস্থিত এই গ্রাম। নদীর ভাঙনের পরে চরের মাঝে বসবাস শুরু করায় লোক মুখে নাম হয়েছে শ্রীলঙ্কা। গ্রামে বিদ্যালয় নেই। সিঙ্গিমারী নদী পেরিয়ে পঞ্চাধ্বোজী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়তে যায় শিশুরা। বন্যার সময় বন্ধ থাকে লেখাপড়া। যাতাযাতের সমস্যায় মাঝপথে বন্ধ হয়ে যায় শিশুদের পড়াশুনো। এলাকার বাসিন্দা মধু বিবি বলেন, গ্রামের আসল নাম ধামাইল গাছ। লোকমুখে এটি ‘শ্রীলঙ্কা’ হিসাবে পরিচিত। সিঙ্গিমারী নদীর ভাঙনের কারণে নিশ্চিহ্ন হতে বসেছে গ্রামটি। পুলিস সুপার বলেন, আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর প্রত্যন্ত গ্রামটি পরিদর্শনে গিয়েছি। এলাকাবাসীর সমস্যা শুনেছি।



