সংবাদদাতা, সিউড়ি: কেন্দ্রীয় সরকার বাড়ি দেয়নি। রাজ্যের ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে বাড়ি পাচ্ছে সিউড়ির নগরীগ্রামের আদিবাসীপাড়ার দুঃস্থ পরিবারগুলি। ইতিমধ্যেই গ্রামবাসীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বাড়ি নির্মাণের জন্য প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা ঢোকা শুরু হয়েছে। তাই খুশি সেখানকার দুঃস্থ গ্রামবাসীরা।
Advertisement
বীরভূমের সিউড়ি-১ ব্লকের নগরী গ্রাম পঞ্চায়েতের দু’টি আদিবাসীপাড়ায় সরকারি উন্নয়নের ছাপ খুব একটা পড়েনি। বিভিন্ন নির্বাচনের সময় বেড়েই চলেছিল বিরোধীদের ভোট। কিন্তু রাজনীতি দূরে সরিয়ে রেখে গ্রামের দুঃস্থ পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াল রাজ্য সরকার।
উল্লেখ্য, নগরী থেকে সিউড়ি যাওয়ার পথে রাস্তার দু’ধারে রয়েছে দু’টি আদিবাসীপাড়া। সেখানে প্রায় চল্লিশটি পরিবারের বাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, একসময় এই গ্রামগুলিতে অতিরিক্ত নেশার সামগ্রী সেবনের জন্য এলাকার অধিকাংশ পুরুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। বলা যায় প্রায় পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছিল এই পাড়া দু’টি। বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত হতেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। গ্রামগুলিতে যাতে নেশার সামগ্রী না বিক্রি হয় তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে, পানীয় জল, রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে সরকারি পরিষেবা নিয়ে একাধিক অভিযোগ রয়েছে গ্রামবাসীদের। গ্রামের প্রায় সিংহভাগ বাসিন্দার খড়ের ও টিনের চালার মাটির কাঁচাবাড়ি রয়েছে। সরকারি পাকাবাড়ির জন্য এর আগে বহুবার তাঁরা আবেদন করেছিলেন। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে ছয়-সাত জনের পাকাবাড়ি হয়েছিল। কিন্তু তারপর বাকি গ্রামবাসীদের নাম কেন্দ্রীয় সরকারের আবাস যোজনা প্রকল্পের তালিকায় থাকলেও কেন্দ্রীয় সরকার কোনও টাকা দেয়নি। দীর্ঘ অপেক্ষার পর সেই একই তালিকা এবার অনুমোদন দিল রাজ্য সরকার। অর্থাৎ রাজ্যের বাংলার বাড়ি প্রকল্পে এই গ্রামের আরও ১৪ জন গ্রামবাসী সরকারি পাকাবাড়ি পেতে চলেছেন। তারপরেও কিছু লোকের অনুমোদন বাকি থাকলেও তা দ্রুত করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ব্লক প্রশাসন। এখন নতুন বাড়ি পাওয়ার আশায় বুক বেঁধেছে গ্রামবাসীরা। ওই গ্রামের বাসিন্দা সুষমা কোড়া, মাধুরী কোড়া, বীরবল কোড়া ও প্রফুল্ল কোড়া বলেন, আমাদের নতুন বাড়ি হবে শুনে খুব খুশি। এখানে অনেকের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে। পঞ্চায়েত থেকে বলছে তাড়াতাড়ি কাজ শুরু হবে। মাটির কাঁচাবাড়িতে খুব কষ্ট করে বসবাস করতে হতো আমাদের। এখন পাকাবাড়ি হলে সমস্যা সমাধান হবে। ওই এলাকার তৃণমূল নেতা পিয়ারজাহান খান বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে দলমত নির্বিশেষ ওই কোড়াপাড়া গ্রামের দুঃস্থ গ্রামবাসীদের সরকারি বাড়ি দেওয়া হয়েছে। অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকাও শুরু হয়েছে। আমরা ওই গ্রামবাসীদের পাশে রয়েছি। এলাকার সার্বিক উন্নয়নে আমরা নজর রাখছি।
উল্লেখ্য, নগরী থেকে সিউড়ি যাওয়ার পথে রাস্তার দু’ধারে রয়েছে দু’টি আদিবাসীপাড়া। সেখানে প্রায় চল্লিশটি পরিবারের বাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, একসময় এই গ্রামগুলিতে অতিরিক্ত নেশার সামগ্রী সেবনের জন্য এলাকার অধিকাংশ পুরুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। বলা যায় প্রায় পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছিল এই পাড়া দু’টি। বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত হতেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। গ্রামগুলিতে যাতে নেশার সামগ্রী না বিক্রি হয় তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে, পানীয় জল, রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে সরকারি পরিষেবা নিয়ে একাধিক অভিযোগ রয়েছে গ্রামবাসীদের। গ্রামের প্রায় সিংহভাগ বাসিন্দার খড়ের ও টিনের চালার মাটির কাঁচাবাড়ি রয়েছে। সরকারি পাকাবাড়ির জন্য এর আগে বহুবার তাঁরা আবেদন করেছিলেন। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে ছয়-সাত জনের পাকাবাড়ি হয়েছিল। কিন্তু তারপর বাকি গ্রামবাসীদের নাম কেন্দ্রীয় সরকারের আবাস যোজনা প্রকল্পের তালিকায় থাকলেও কেন্দ্রীয় সরকার কোনও টাকা দেয়নি। দীর্ঘ অপেক্ষার পর সেই একই তালিকা এবার অনুমোদন দিল রাজ্য সরকার। অর্থাৎ রাজ্যের বাংলার বাড়ি প্রকল্পে এই গ্রামের আরও ১৪ জন গ্রামবাসী সরকারি পাকাবাড়ি পেতে চলেছেন। তারপরেও কিছু লোকের অনুমোদন বাকি থাকলেও তা দ্রুত করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ব্লক প্রশাসন। এখন নতুন বাড়ি পাওয়ার আশায় বুক বেঁধেছে গ্রামবাসীরা। ওই গ্রামের বাসিন্দা সুষমা কোড়া, মাধুরী কোড়া, বীরবল কোড়া ও প্রফুল্ল কোড়া বলেন, আমাদের নতুন বাড়ি হবে শুনে খুব খুশি। এখানে অনেকের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে। পঞ্চায়েত থেকে বলছে তাড়াতাড়ি কাজ শুরু হবে। মাটির কাঁচাবাড়িতে খুব কষ্ট করে বসবাস করতে হতো আমাদের। এখন পাকাবাড়ি হলে সমস্যা সমাধান হবে। ওই এলাকার তৃণমূল নেতা পিয়ারজাহান খান বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে দলমত নির্বিশেষ ওই কোড়াপাড়া গ্রামের দুঃস্থ গ্রামবাসীদের সরকারি বাড়ি দেওয়া হয়েছে। অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকাও শুরু হয়েছে। আমরা ওই গ্রামবাসীদের পাশে রয়েছি। এলাকার সার্বিক উন্নয়নে আমরা নজর রাখছি।



