Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

১০ দিনে মুর্শিদাবাদের ৯ লক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছবে জগন্নাথদেবের প্রসাদ

মুর্শিদাবাদ জেলায় ন’লক্ষ মানুষের কাছে ১০দিনে পৌঁছবে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ।

১০ দিনে মুর্শিদাবাদের ৯ লক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছবে জগন্নাথদেবের প্রসাদ
  • ৯ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদ জেলায় ন’লক্ষ মানুষের কাছে ১০দিনে পৌঁছবে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ। রথযাত্রার আগেই রাজ্যের প্রতিটি বাড়িতে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের ছবি এবং প্রসাদ পৌঁছে দেওয়ার জন্য তৎপরতা শুরু হয়েছে। ৩০এপ্রিল দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন হয়েছে। সেখান থেকেই প্রত্যেক বাড়িতে প্রসাদ পাঠানো হবে বলে ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রথের আগে সেই কাজই শুরু করতে চলেছে নবান্ন। মুর্শিদাবাদ জেলায় আগামী ১৭জুন থেকে বাড়ি বাড়ি প্রসাদ পাঠানোর কাজ শুরু করবে প্রতিটি জেলা প্রশাসন। এই কাজ রথযাত্রার(২৭জুন) মধ্যে সম্পূর্ণ করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে নবান্ন। এই কাজের জন্য মূলত দুয়ারে রেশন মডেলের উপর ভরসা রাখছে রাজ্য। এই বিষয়ে খাদ্যদপ্তরের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে জেলার প্রতিটি এমআর ডিলারদের এই প্রসাদ বিলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলার জন্য ন’লক্ষের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এরপরেও যদি কোনও ইচ্ছুক ব্যক্তি প্রসাদ নিতে চান, তাহলে তাঁকেও প্রসাদ দেওয়া হবে। যদি কোনও কারণে ১০দিনের মধ্যে বিপুল পরিমাণ মানুষের কাছে প্রসাদ না পৌঁছয়, তাহলে উল্টোরথের(৪জুলাই) মধ্যে এই কাজ শেষ করতেই হবে। রাজ্যের তরফে এমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

প্রসাদ হিসেবে কী কী থাকবে? জানা গিয়েছে, সুন্দর একটি বাক্সে জগন্নাথদেবের প্রসাদ হিসেবে দু’টি পৃথক প্লাস্টিকের জিপ প্যাকেটে থাকবে একটি করে খোয়া ক্ষীরের হলুদ প্যাঁড়া ও মিষ্টি গজা। আর রাজ্যের তরফে স্মারক হিসেবে দেওয়া হবে দীঘার মন্দিরের ছবি। কলকাতা থেকে প্রতিটি জেলায় ছবি সহ বাক্স পাঠিয়ে দেওয়া হবে। যা পাঠানোর কাজ শুরু হবে ১২জুন থেকে। প্যাঁড়া এবং গজা তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে মুর্শিদাবাদ জেলার প্রতিটি ব্লক ও পুরসভা এলাকার বিশিষ্ট মিষ্টি প্রস্তুতকারকদের। জগন্নাথদেবের মন্দিরের মূল প্রসাদের অংশ সেই মিষ্টির মধ্যে মেশানো হবে। সেই কারণে এখন থেকে এলাকার নামজাদা মিষ্টি প্রস্তুতকারকদের তালিকাও তৈরি করা হয়েছে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রতিটি ব্লক এবং পুরসভাকে। এক একটি প্যাকেটের মিষ্টির জন্য ২০টাকা করে বরাদ্দ করা হয়েছে। এর বেশি যাতে খরচ না হয় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এসডিও-বিডিওদের। সেইসঙ্গে প্যাঁড়া এবং গজা ন্যূনতম কত মাপের হতে হবে, তাও জানিয়ে দিয়েছে নবান্ন। মুর্শিদাবাদের অতিরিক্ত জেলাশাসক(সাধারণ) দীননারায়ণ ঘোষ বলেন, নবান্নের নির্দেশমতো আমরা প্রসাদ বিলির সমস্ত ব্যবস্থা করেছি। মুর্শিদাবাদ জেলায় আপাতত ন’লক্ষ মানুষের হাতে প্রসাদ পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এরপরেও যদি কোনও ব্যক্তি প্রসাদ পেতে চান, তাঁদেরও প্রসাদ দেওয়া হবে। জেলার সমস্ত রেশন ডিলার এই প্রসাদ বিলি করবেন। ১৭-২৭জুন পর্যন্ত প্রসাদ বিলি চলবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ