সংবাদদাতা, লালবাগ: দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুর, উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা, বীরভূমের মল্লারপুরের পর এবার মুর্শিদাবাদের লালগোলা। এক কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে উত্তাল হয়ে উঠল নবাব মুলুকের এই ছোট্ট শহর। ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর), লালগোলার চাঁদপুরে। এক সপ্তাহ পর ঘটনাটি জানাজানি হতেই হইচই পড়ে যায় এলাকায়। গতকাল, মঙ্গলবার কিশোরীর পরিবারের তরফে লালগোলা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিস তদন্তে নেমে মিজানুর রহমান নামে মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। জানা গিয়েছে, ওই কিশোরীকে প্রথমে ফোন করে এক যুবক তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে তিন বন্ধু মিলে কিশোরীর উপর পাশবিক নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ। প্রচণ্ড রক্তক্ষরণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। বিপদ বুঝে অভিযুক্তরা তার বাড়ির সামনে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়।
Advertisement
কিশোরীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস পকসো ধারায় মামলা রুজু করেছে। ধৃত মিজানুরকে বুধবার লালবাগ মহকুমা আদালতে তোলা হয়। তাকে হেফাজতে নেওয়ার জন্য পুলিস কোনও আবেদন করেনি। স্বভাবতই বিচারক মিজানুরকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। ভগবানগোলার এসডিপিও উত্তম গরাই বলেন, ‘ওই ঘটনায় তিনজন জড়িত ছিল বলে জানা গিয়েছে। নির্যাতিতা কিশোরীর বাবা থানায় মূল অভিযুক্ত মিজানুর রহমান সহ তিন জনের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছেন। মিজানুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি দুই অভিযুক্তের খোঁজ চলছে।’
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা কিশোরীর পূর্ব পরিচিত মিজানুর। আগেও নির্যাতিতা কয়েকবার মিজানুরের বাড়িতে গিয়েছিল। গত ২৯ অক্টোবর মিজানুরের বাড়িতে কেউ ছিলেন না। সেই সুযোগে ওইদিন সকালে মিজানুর ফোন করে ওই কিশোরীকে তার চাঁদপুরের বাড়িতে ডাকে। কিছুক্ষণ পরেই কিশোরী ওই বাড়িতে যায়। এদিকে, আগে থেকেই মিজানুরের আরও দুই বন্ধু ওই বাড়িতে উপস্থিত ছিল। বিপদ আন্দাজ করে কিশোরী ওখান থেকে চলে আসার চেষ্টা করে। কিন্তু অভিযুক্তদের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারেনি সে। মিজানুর সহ তিনজনই উপর্যুপরি তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ শুরু হয়। প্রায় অচৈতন্য হয়ে পড়ে সে। বেগতিক বুঝে মিজানুররা তার বাড়ির সামনে ফেলে রেখে চম্পট দেয়। স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে কিশোরীকে তার বাড়িতে পৌঁছে দেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের লোকজন তাকে লালবাগের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে দু’দিন চিকিৎসার পর কিছুটা সুস্থ হলে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
ঘটনার পর আটদিন কেটে গেলেও ওই কিশোরী মুখ খোলার সাহস পায়নি। ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছিল সে। ঘটনাটি চেপে যাওয়ার জন্য হুমকিও আসতে শুরু করেছিল। শেষে নির্যাতিতা পুরো ঘটনাটি খুলে বলে তার বাবা-মাকে। তারপরই থানায় অভিযোগ জানানোর প্রস্তুতি নেন কিশোরীর বাবা। তিনি এদিন বলেন, অভিযোগ করতে চলেছি জানতে পেরে মিজানুরের বাবা ও মা মুখ বন্ধ রাখার জন্য আমাদের উপর চাপ দিতে থাকে। মুখ খুললে প্রাণনাশেরও হুমকি দেওয়া হয়। যারা আমার মেয়ের সঙ্গে এই কান্ড ঘটিয়েছে তাদের চরম ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। কিশোরীর মা বলেন, ওইদিনের ঘটনার পর থেকে মেয়ে একটা ঘোরের মধ্যে রয়েছে। রাতে ঘুমোচ্ছে না। ঘুমোলেও চিৎকার করে জেগে উঠছে। এলাকাবাসীরাও কিশোরীর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা কিশোরীর পূর্ব পরিচিত মিজানুর। আগেও নির্যাতিতা কয়েকবার মিজানুরের বাড়িতে গিয়েছিল। গত ২৯ অক্টোবর মিজানুরের বাড়িতে কেউ ছিলেন না। সেই সুযোগে ওইদিন সকালে মিজানুর ফোন করে ওই কিশোরীকে তার চাঁদপুরের বাড়িতে ডাকে। কিছুক্ষণ পরেই কিশোরী ওই বাড়িতে যায়। এদিকে, আগে থেকেই মিজানুরের আরও দুই বন্ধু ওই বাড়িতে উপস্থিত ছিল। বিপদ আন্দাজ করে কিশোরী ওখান থেকে চলে আসার চেষ্টা করে। কিন্তু অভিযুক্তদের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারেনি সে। মিজানুর সহ তিনজনই উপর্যুপরি তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ শুরু হয়। প্রায় অচৈতন্য হয়ে পড়ে সে। বেগতিক বুঝে মিজানুররা তার বাড়ির সামনে ফেলে রেখে চম্পট দেয়। স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে কিশোরীকে তার বাড়িতে পৌঁছে দেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের লোকজন তাকে লালবাগের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে দু’দিন চিকিৎসার পর কিছুটা সুস্থ হলে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
ঘটনার পর আটদিন কেটে গেলেও ওই কিশোরী মুখ খোলার সাহস পায়নি। ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছিল সে। ঘটনাটি চেপে যাওয়ার জন্য হুমকিও আসতে শুরু করেছিল। শেষে নির্যাতিতা পুরো ঘটনাটি খুলে বলে তার বাবা-মাকে। তারপরই থানায় অভিযোগ জানানোর প্রস্তুতি নেন কিশোরীর বাবা। তিনি এদিন বলেন, অভিযোগ করতে চলেছি জানতে পেরে মিজানুরের বাবা ও মা মুখ বন্ধ রাখার জন্য আমাদের উপর চাপ দিতে থাকে। মুখ খুললে প্রাণনাশেরও হুমকি দেওয়া হয়। যারা আমার মেয়ের সঙ্গে এই কান্ড ঘটিয়েছে তাদের চরম ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। কিশোরীর মা বলেন, ওইদিনের ঘটনার পর থেকে মেয়ে একটা ঘোরের মধ্যে রয়েছে। রাতে ঘুমোচ্ছে না। ঘুমোলেও চিৎকার করে জেগে উঠছে। এলাকাবাসীরাও কিশোরীর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।



