সংবাদদাতা, লালবাগ: এক আইনজীবীকে মারধর ও প্রাণে মারার হুমকির অভিযোগ উঠল লালগোলা ব্লক যুব তৃণমূল সভাপতি ও তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে। আক্রান্ত আইনজীবী ওই তৃণমূল নেতা সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে লালগোলা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। পুলিস তাজিরুল ইসলাম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতকে শুক্রবার লালবাগ মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক ১৪দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, লালগোলা থানার দামোদরপুর গ্রামের বাসিন্দা আইনজীবী নুর মহম্মদ সেলিম আক্রান্ত হন। বুধবার আদালতের কাজ শেষ করে বাড়ির কাছে কৃষ্ণপুর গ্রামীণ হাসপাতালের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে চা খাচ্ছিলেন। অভিযোগ, ওইসময় লালগোলা ব্লক তৃণমূল যুব সভাপতি ফারুক আবদুল্লা তাঁর দলবল নিয়ে ওই আইনজীবীর উপর চড়াও হন। মারধর করা হয়। গলায় তার পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করা হয়। ওই ঘটনায় ফারুক ও তাঁর অনুগামী তাজিরুল সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ জমা করেন ওই আইনজীবী। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস তাজিরুলকে গ্রেপ্তার করলেও বাকিরা অধরা। আইনজীবী নুর মহম্মদ সেলিম বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু রাজনৈতিক বক্তব্য রেখেছিলাম। যে কারণে ওই তৃণমূল নেতা আমাকে প্রাণে মারার হুমকি দেন। ওইদিন একদল দুষ্কৃতী আমাকে মারধর করে। বৃহস্পতিবারও রাস্তা আটকে আক্রমণ করে।
ব্লক যুব সভাপতি ফারুক আবদুল্লা বলেন, ওই আইনজীবী সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার নামে কুরুচিকর মন্তব্য করেছিলেন। সেই বিষয়ে তাঁকে বুঝিয়ে বলতে গেলে উনি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। আমার সঙ্গে থাকা অনুগামীরা প্রতিবাদ করেন। পরবর্তীতে দু’পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। লালগোলার বিধায়ক তৃণমূলের মহম্মদ আলি বলেন, আমি বিষয়টি জানি না। তবে ফারুক আবদুল্লা দলের দক্ষ সংগঠক। আমার মনে হচ্ছে কোথাও কিছু ভুল হচ্ছে।
ব্লক যুব সভাপতি ফারুক আবদুল্লা বলেন, ওই আইনজীবী সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার নামে কুরুচিকর মন্তব্য করেছিলেন। সেই বিষয়ে তাঁকে বুঝিয়ে বলতে গেলে উনি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। আমার সঙ্গে থাকা অনুগামীরা প্রতিবাদ করেন। পরবর্তীতে দু’পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। লালগোলার বিধায়ক তৃণমূলের মহম্মদ আলি বলেন, আমি বিষয়টি জানি না। তবে ফারুক আবদুল্লা দলের দক্ষ সংগঠক। আমার মনে হচ্ছে কোথাও কিছু ভুল হচ্ছে।



