সংবাদদাতা, কান্দি: পুজোর আগে রাস্তাঘাট ঝাঁ চকচকে। পুরনো পথবাতি পাল্টে নতুন আলোর ব্যবস্থা হয়েছে। কান্দি শহরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা এখন পুজোর আনন্দে মেতে উঠতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। এখানকার সাতটি সর্বজনীন দুর্গাপুজোর মধ্যে আলোকসজ্জার অঘোষিত প্রতিযোগিতা চলে। ওয়ার্ডের একমাত্র মহিলা পরিচালিত পুজোর দিকেও এলাকার মানুষের নজর রয়েছে।
এই ওয়ার্ডে জেমো বাজার এলাকায় একটিমাত্র পারিবারিক পুজো আছে। বাকি সাতটি পুজোই সর্বজনীন। স্থানীয় ক্যানেলপাড়া, স্কুল রোড, জেলখানা রোড, রূপপুর সর্বজনীন, রূপপুর ডোমপাড়া, রাধাসাগরপাড়, রামেন্দ্রসুন্দরপল্লি সর্বজনীনের দুর্গাপুজো প্রতিবছর দর্শনার্থীদের নজর কাড়ে। এখানকার বিভিন্ন সর্বজনীন পুজোয় আলোকসজ্জা নিয়ে অঘোষিত প্রতিযোগিতা চলে। বিশেষত রূপপুর সর্বজনীন, রাধাসাগরপাড় ও স্কুল রোডের আলোকসজ্জা নজর কাড়ে।
রূপপুর সর্বজনীন পুজো কমিটির সভাপতি মানস সিনহা বলেন, পুজোর সময় তিনদিনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। পুজো ও অনুষ্ঠান আয়োজনে কমিটির সবাই এখন ব্যস্ত।
এই ওয়ার্ডের প্রতিটি পুজো কমিটি কঠোর নিয়মশৃঙ্খলা বজায় রাখে। প্রতিটি কমিটির স্বেচ্ছাসেবক দল থাকে। এলাকার বাসিন্দা অরূপ রায়চৌধুরী বলেন, পুজোয় কখনও ওয়ার্ডে ঝামেলা হয়েছে বলে শুনিনি। কারণ পুজো উদ্যোক্তারা কঠোরভাবে নিয়ম মেনে চলে। ফলে দর্শনার্থীরাও সুষ্ঠুভাবে প্রতিমা দর্শন করতে পারেন।
ওয়ার্ডের একমাত্র মহিলা পরিচালিত পুজো কমিটির তরফে টুম্পা দাস বলেন, অন্য সর্বজনীন পুজোর তুলনায় আমরা কোনও অংশে কম নয়। এখানে মহিলা স্বেচ্ছাসেবক দল পুজোর পাঁচদিন কঠিন পরিশ্রম করে।
পুজোর আগে কান্দি পুরসভা ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট, জঙ্গল সাফাই শুরু করেছে। ভাঙাচোরা রাস্তা মেরামতও করা হয়েছে। স্থানীয় কাউন্সিলার সহেলি দাস মিশ্র বলেন, পুজোর আগেই ওয়ার্ডের প্রায় ৩০টি পুরনো পথবাতি বদলে ৯০ওয়াটের নতুন এলইডি আলো বসছে। পুজোর আগে ওয়ার্ডকে ঝাঁ চকচকে করে তুলতে সাফাই অভিযান চলছে।