Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নির্বাচন কমিশনের সন্দেহের তালিকায় বৈধ ভোটাররাও! ইআরও-এইআরও মনে করলেই পাঠানো হবে নোটিস

এবার বৈধ ভোটারদেরও নির্বাচন কমিশন সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখছে। তাঁরাও শুনানিতে ডাক পেতে পারেন।

নির্বাচন কমিশনের সন্দেহের  তালিকায় বৈধ ভোটাররাও! ইআরও-এইআরও মনে করলেই পাঠানো হবে নোটিস
  • ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সুখেন্দু পাল, বর্ধমান: এবার বৈধ ভোটারদেরও নির্বাচন কমিশন সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখছে। তাঁরাও শুনানিতে ডাক পেতে পারেন। ‘অবৈধ’ ভোটার খুঁজতে নির্বাচন কমিশনের হাতিয়ার ছিল ‘নো ম্যাপিং’ এবং ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’। নো ম্যাপিং ভোটারদের শুনানি প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সিতে ডাক পাওয়া ভোটাররা প্রতিদিনই শুনানি কেন্দ্রগুলিতে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। এতদিন যাঁরা ডাক পাননি তাঁরা নিশ্চিন্তে ছিলেন। এবার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে তাঁদের অস্বস্তি বেড়েছে। কমিশনের পোর্টালে জানানো হয়েছে, এই দু’টি ‘অপশনের’ বাইরেও যে কাউকে শুনানির জন্য ডাকা যেতে পারে। ইআরও বা এইআরও’রা কাউকে সন্দেহজনক মনে করলেই নোটিস দিয়ে ভোটারদের শুনানিতে ডাকতে পারেন। ইআরও বা এইআরও’রা বৈধতার সার্টিফিকেট দেবেন। শুধু বৈধতা দিলেই হবে না, ইআরওদের অর্ডার শিট করতে হবে।

Advertisement

এক আধিকারিক বলেন, নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত কার্যকরের ব্যাপারে কঠোর হলে প্রতিটি জেলায় নতুন করে আরও কয়েক লক্ষ ভোটার নোটিস পেতে পারেন। এইআরও বা ইআরও’দের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয় কে বৈধ আর কে অবৈধ। সেক্ষেত্রে ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হতে পারে। মাইক্রো অবজার্ভারদের দিয়ে কমিশন এর আগে জমা পড়া ফরম পরীক্ষা করিয়েছেন। তারপরেও পোর্টালে এই অপশন রাখা হয়েছে কেন?

অপর এক আধিকারিক বলেন, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সিতেই নোটিস দিতে গিয়ে নাজেহাল হতে হয়েছে। প্রতিদিনই কয়েকশো ভোটার লম্বা লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। সামান্য নামের বানান ভুলের জন্য‌ তাঁ঩দের ডাকা হয়েছে। এছাড়া একজনকে ম্যাপিং দেখিয়ে ছ’জন ভোটার তালিকায় নাম তুললে তাঁরাও সন্দেহজনক হয়ে উঠেছেন। বিএলও অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাপ্পাদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নির্বাচন কমিশনের তুঘলকি আচরণের খেসারত আমাদের দিতে হচ্ছে। যখন যা মনে হচ্ছে, তখন সেটা তারা করতে পারে না। এই জিনিস চলতে পারে না। রাজ্যজুড়ে আমরা আন্দোলন শুরু করব।

এদিন পূর্ব বর্ধমানের গলসি বিধানসভা কেন্দ্রের বিএলও’রা পেনডাউন করেছেন। অন্যান্য বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতেও এমনটাই হতে চলেছে। নির্বাচন কমিশন সবাইকেই সন্দেহজনক মনে করছে। সেটা হলে নো ম্যাপিং বা লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি আলাদা করার দরকার ছিল না। সবাইকে নোটিস দিতে পারত।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ