Bartaman Logo
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভগৎ সিংয়ের জন্মদিন পালনে পুলিশের সঙ্গে বচসা বামেদের, কৃষক সমাবেশের মিছিলে আক্রমণ

মিন্টো পার্কে শহিদ ভগৎ সিংয়ের জন্মদিবস পালন করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসা বাধল বামেদের। আবার সংযুক্ত কিষান মোর্চার সমাবেশে যোগ দিতে এসে ধর্মতলায় মার খেতে হল কৃষকদের।

ভগৎ সিংয়ের জন্মদিন পালনে পুলিশের সঙ্গে বচসা বামেদের, কৃষক সমাবেশের মিছিলে আক্রমণ
  • ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মিন্টো পার্কে শহিদ ভগৎ সিংয়ের জন্মদিবস পালন করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসা বাধল বামেদের। আবার সংযুক্ত কিষান মোর্চার সমাবেশে যোগ দিতে এসে ধর্মতলায় মার খেতে হল কৃষকদের। সোমবার দিনভর এমন ঘটনায় দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ল। এই ঘটনার জেরে এদিন সকালে কলকাতা পুরসভার প্রশাসক তথা কমিশনার স্মিতা পান্ডে ভগৎ সিংয়ের মূর্তিতে প্রথমে মাল্যদান করতে যেতে পারেননি। পুরসভার দুই জয়েন্ট কমিশনারসহ শীর্ষ আধিকারিকরাও এই ঘটনার জেরে সকালে মালা দিতে না পেরে ফিরে আসনে। পরে সন্ধ্যায় সেখানে ভগৎ সিংয়ের মূর্তিতে মাল্যদান করেন পুর কমিশনার। সূত্রের খবর, সকালে বামেদের এই আচরণের জন্য তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুরসভা সূত্রের খবর। 

Advertisement

এদিন সকালে বামফ্রন্ট নেতৃত্ব মিন্টো পার্কে ভগৎ সিংয়ের মূর্তিতে মাল্যদান করতে যান। প্রতিবছরের মতো এই অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে ওই মূর্তির চারপাশে বিভিন্ন বামপন্থী দল ও গণসংগঠনের পতাকা বাঁধা হয়। উপস্থিত ছিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম প্রমুখ। বামেদের অভিযোগ, মাল্যদান শেষ হয়ে যাওয়ার পরেই পুলিশ ও কলকাতা কর্পোরেশনের লোকজন এসে বলেন অনুষ্ঠান শেষে পতাকা খুলে নিতে হবে। কারণ, কর্পোরেশনের তরফে শ্রদ্ধা জানানো হবে। সেই পতাকা খুলতে চাননি বাম কর্মীরা। সেলিম বলেন, ‘ভোট আসছে, তাই কর্পোরেশনের ইচ্ছা হয়েছে মালা দেবে। সে দিক। আমরা এই মূর্তি স্থাপন করেছিলাম। মিন্টো পার্কের নাম রেখেছিলাম ভগৎ সিংয়ের নামে। কিন্তু ঝান্ডা খুলতে বলবে কেন?’ 
এদিকে, রানি রাসমণি রোডে সংযুক্ত কিষান মোর্চার সমাবেশে যোগ দিতে হওড়া ও শিয়ালদা থেকে দুটি মিছিল আসে। বনগাঁর এক কৃষকের অভিযোগ, ‘আমরা মিছিলের একটু আগে আসছিলাম। এস এন ব্যানার্জি রোডের এক জায়গায় জল ভরতে যাওয়ার সময় কিছু লোক আমাদের উপর আক্রমণ করে। পুলিশ সামনে থাকলেও কিছু করেনি। আমাদের মেরেছে। রক্ত পতাকা রাস্তায় ফেলে দিয়েছে।’মঞ্চ থেকে কৃষক নেতৃত্ব এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন। অমল হালদার, কার্তিক পাল, পরেশ পাল তাঁদের বক্তব্যে বলেন, ডবল ইঞ্জিন সরকার কৃষকদের জন্য দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখছে না। ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি) দেওয়া হচ্ছে না। ১২ জন আলুচাষি আত্মহত্যা করেছেন। এইভাবে চলতে থাকলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলন হবে, হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা। এদিন সমাবেশস্থলেই প্রতিবাদ হিসাবে ৮ টাকায় জ্যোতি আলু এবং ১০ টাকায় চন্দ্রমুখী আলু বিক্রি করেন কৃষকরা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ