নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: বৃষ্টির দাপট কমলেও ধস অব্যাহত কালিম্পংয়ে। বুধবার সকালে মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের একাধিক জায়গায় নেমেছে ধস। যার ফলে শিলিগুড়ির সঙ্গে সড়ক পথে সরাসরি কালিম্পং ও সিকিমের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এর এর মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে তিস্তা। পাহাড় ও সমতলে নদীর জলস্তর সামান্য কমলেও নতুন চিন্তা ভাঙন ঘিরে। কালিম্পংয়ের ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক, তিস্তাবাজার, মালবাজার ও ক্রান্তির কিছু এলাকায় নদী ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার ধসের জেরে কালিম্পংয়ের লাইফ লাইন ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের ১০ মাইল অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। এছাড়াও লিকুভির, সিলফিদারা মাঝেমধ্যেই পাহাড়ের উচু উপত্যকা থেকে পাথর পতন হচ্ছিল। ওইদিন দিনভর চেষ্টা চালিয়ে সমগ্র পরিস্থিতি সামাল দেয় প্রশাসন। এই অবস্থায় বুধবার সকাল থেকে দফায় দফায় সংশ্লিষ্ট জাতীয় সড়কে নামে ধস। মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যে তারখোলা ও ১১ মাইলে হুড়মুড়িয়ে নেমে আসে মাটি, গাছ, নুড়ি ও বোল্ডার। স্বভাবতই জাতীয় সড়কের সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলি অবরুদ্ধ। লিকুভীরে মাঝেমধ্যে পাথর পতন হচ্ছে।
তিস্তার জলস্তর নামায় কালিম্পংয়ের রোবিঝোরা, তিস্তাবাজারে, মালবাজারের বাগরাকোটে নদী ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কালিম্পং ও জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নদীর গতি প্রকৃতির উপর নজর রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত প্রশাসনের টিম। কালিম্পংয়ে জাতীয় সড়ক থেকে ধস হটানোর কাজ শুরু হয়েছে।