সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: খুব শীঘ্র কলকাতা-বারাণসী এক্সপ্রেসওয়ের জন্য আমতা ২ ও বাগনান ১ নং ব্লকে জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হবে। মঙ্গলবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রী নীতিন গাদকারির সঙ্গে দেখা করে এই কথা বলেন আমতার বিধায়ক অমিত সামন্ত। রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী অজয়কুমার পোদ্দারের সঙ্গে দিল্লি গিয়েছেন অমিত সামন্ত। বিধায়ক বলেন, এই এক্সপ্রেসওয়ের একটি অংশ আমতা ২ নম্বর ও বাগনান ১ নম্বর ব্লকের উপর দিয়ে যাবে। খুব শীঘ্রই জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হবে। তারপর রাস্তার কাজ শুরু হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এ ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছেন। এই এক্সপ্রেসওয়ে হাওড়া গ্রামীণ জেলার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে তরান্বিত করবে।
প্রশাসন সূত্রে খবর, জেলার দু’টি ব্লকের যে সব মৌজার উপর দিয়ে এক্সপ্রেসওয়ে যাবে, সেগুলি চিহ্নিত করা হয়েছে। নির্দেশ এলেই কাজ শুরু হবে। ভারতমালা প্রকল্পে উত্তরপ্রদেশ, বিহার ও ঝাড়খণ্ডে কলকাতা-বারাণসী ৬ লেনের গ্রিনফিল্ড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ শুরু হলেও এ রাজ্যে জমি জটের কারণে কিছুই হয়নি। রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকার ক্ষমতায় আসার পর জাতীয় সড়ক নির্মাণে জোর দেওয়া হয়েছে। এবার গ্রিনফিল্ড এক্সপ্রেসওয়ের কাজে গতি আনতে তৎপর হল রাজ্য সরকার। জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের চান্দৌলি থেকে এক্সপ্রেসওয়ে শুরু হয়ে বিহার, ঝাড়খণ্ড হয়ে এ রাজ্যের পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, হুগলি, হাওড়া হয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জোকায় এসে মিশবে। সব মিলিয়ে এই রাজ্যে তৈরি হবে ২৮৫ কিমি রাস্তা। গ্রিনফিল্ড এক্সপ্রেসওয়ে হুগলির খানাকুল থেকে হাওড়া জেলার আমতা ২ নম্বর ব্লকের উত্তর ভাটোরা, নিগনান, কাশমলি, খড়িগেড়িয়া, বাইনান, বাঙালপুর, চন্দ্রপুর হয়ে বাগনানে এসে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কে মিশবে। এই এক্সপ্রেসওয়ে চালু হয়ে গেলে কলকাতা থেকে বারাণসী যেতে অন্তত ৬-৭ ঘণ্টা সময় বাঁচবে। জানা গিয়েছে, গ্রিনফিল্ড এক্সপ্রেসওয়ের দু’দিকে রেলিং দেওয়া থাকবে। ফলে যে কোনো জায়গা থেকে এক্সপ্রেসওয়েতে ওঠা যাবে না। নির্দিষ্ট ১১-১২টি পয়েন্ট থাকবে, যে জায়গা থেকে গাড়িগুলি এক্সপ্রেসওয়ে ধরতে পারবে।