Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

তালডাংরায় ‘লক্ষ্মী’ সেজে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার জালিয়াতি, ফর্ম জমা দেওয়ার সময় সশরীরে আসতে হবে আবেদনকারীকেই

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ফর্ম জমা দেওয়ার সময় আবেদনকারীকে সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে। তা না হলে আবেদনপত্র জমা নেওয়া হবে না।

তালডাংরায় ‘লক্ষ্মী’ সেজে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার জালিয়াতি, ফর্ম জমা দেওয়ার সময় সশরীরে আসতে হবে আবেদনকারীকেই
  • ২৪ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ফর্ম জমা দেওয়ার সময় আবেদনকারীকে সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে। তা না হলে আবেদনপত্র জমা নেওয়া হবে না। জালিয়াতি রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে তালডাংরা ব্লক প্রশাসন। ওই ব্লকের রাজপুরে সাইবার কাফের মালিক মনিরুল খান আধার কার্ড ‘সুপার ইম্পোজ’ করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা নেওয়ায় প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছে। মনিরুলকে পুলিস ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে। তারমতো যাতে আর কেউ ভবিষ্যতে ওই ধরনের কাণ্ড না করতে পারে সেই জন্যই এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ বলে ব্লক প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা জানিয়েছেন।

Advertisement

তালডাংরার বিডিও অনিন্দিতা সিনহা ব্রহ্ম বলেন, নথি জমা পড়ে যাওয়ার পর তা পোর্টালে আপলোড করা হয়। আপলোডের সময় নথি যাচাইয়ের সময় থাকে না। সে কারণে আমরা নথি জমা নেওয়ার সময় যাচাইপর্ব সম্পন্ন করতে চাই। আবেদনকারী উপস্থিত থাকলে কর্মীরা ফর্মের ছবির সঙ্গে তাঁর মুখাবয়ব মিলিয়ে দেখে নিতে পারবেন। ফলে কোনও পুরুষ মহিলাদের জন্য নির্দিষ্ট ওই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবে না। বর্তমানে ‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ কর্মসূচির আওতায় চালু শিবিরেও দুয়ারে সরকারের মতো ব্যক্তিগত আবেদনপত্রও জমা নেওয়া হচ্ছে। ফলে আমরা শিবিরের দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মীদের কাছে ব্লক প্রশাসনের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে বার্তা পৌঁছে দিয়েছি।
উল্লেখ্য, পুলিসের হাতে ধৃত মনিরুল নিজের আধার কার্ডে মহিলার ছবি বসিয়েছিল। লিঙ্গের স্থানেও সে মহিলা লিখে দিয়েছিল। নিজের সাইবার কাফেতে বসে মনিরুল ওই কাজ করেছিল। তারপর জালিয়াতি করা ওই আধার কার্ড সহ আবেদনপত্র ব্লক প্রশাসনের কাছে জমা দিয়েছিল। নজরদারির ফাঁক গলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা প্রাপকের তালিকায় মনিরুলের ঠাঁই হয়ে যায়। নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পেয়ে সে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। অন্যান্য কয়েকজনেরও আধার কার্ড সুপার ইম্পোজ করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জন্য আবেদন করার ব্যবস্থা করে দেয়। সম্প্রতি বিষয়টি নজরে আসতেই ব্লক প্রশাসন মনিরুলের বিরুদ্ধে পুলিসের কাছে অভিযোগ দায়ের করে। তারপর থেকে ওই কীর্তিমান শ্রীঘরে রয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ