Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কেশপুরের জামবনী গ্রামে জল এবং আলোর অভাব, হুঁশ নেই পঞ্চায়েতের

এই গ্রামে প্রায় একশো পরিবারের বাস।  গ্রামের আদিবাসী সমাজের মানুষ চাষের পাশাপাশি গান, বাজনাকেই জীবিকা হিসেবে বেছেছেন। কিন্তু সমস্যা বাড়াচ্ছে পানীয় জল।

কেশপুরের জামবনী গ্রামে জল এবং  আলোর অভাব, হুঁশ নেই পঞ্চায়েতের
  • ৯ নভেম্বর, ২০২৫ ১৬:১১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: এই গ্রামে প্রায় একশো পরিবারের বাস।  গ্রামের আদিবাসী সমাজের মানুষ চাষের পাশাপাশি গান, বাজনাকেই জীবিকা হিসেবে বেছেছেন। কিন্তু সমস্যা বাড়াচ্ছে পানীয় জল। কারণ, গোটা গ্রামের মানুষকে পানীয় জলের জন্য একটা পাম্পের উপরেই নির্ভর করতে হয়। আর সেই পাম্প বিকল হলে শেষ থাকে না দুর্ভোগের। প্রায় দু’কিলোমিটার ঠেঙিয়ে যেতে হয় খাবার জল আনতে। এই ছবি কেশপুর ব্লকের আমড়াকুচি পঞ্চায়েতের জামবনী গ্রামের। গ্রামবাসীদের কথায়,  এলাকায় পানীয় জল ও  রাস্তায় আলোর যথেষ্ট অভাব রয়েছে।  এর ফলে পড়ুয়াদের নানা সমস্যায় পড়তে হয়। জলের ব্যাপারে পঞ্চায়েতে বারবার জানিয়েও লাভ হয়নি। বাড়ি, বাড়ি পাইপ লাইনের মাধ্যমে জল দেওয়ার কথা থাকলেও, কবে তা মিলবে তার সদুত্তর কেউ দিতে পারেননি। 

Advertisement

যদিও কেশপুর ব্লকের আমড়াকুচি  পঞ্চায়েতের প্রধান মোরফিয়া বিবি বলেন, ওই এলাকায় জল প্রকল্পের কাজ হয়েছে। তবে মানুষের সমস্যা হলে, ফের জল প্রকল্পের কাজ করতে হবে। এই পঞ্চায়েত এলাকায় অনেক প্রকল্পের কাজ হয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। 
প্রসঙ্গত, কেশপুর ব্লকের জামবনী গ্রামে আদিবাসী সমাজের মানুষেরই বাস বেশি। বাম জমানায় এই এলাকায় রাস্তা ,পানীয় জলের অবস্থা ছিল বেহাল। কিন্তু রাজ্যে পালাবদলের পর ধীরে, ধীরে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। বর্তমানে এই এলাকার মানুষ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। কিন্তু পর্যাপ্ত পানীয় জল না থাকায় সমস্যায় পড়ছেন মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দা অমল মণ্ডল বলেন, এটা ঠিক, এলাকায় জলের সমস্যা রয়েছে। পাশাপাশি নিকাশি ব্যবস্থার সমস্যাও আছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ