Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বৃষ্টির অভাবে ধানচাষে সমস্যা চোপড়ায়, জলসেচে বাড়তি খরচ

পর্যাপ্ত বৃষ্টির অভাবে চোপড়া ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার কৃষকেরা ধান রোপণ করতে গিয়ে চরম সমস্যায় পড়েছেন।

বৃষ্টির অভাবে ধানচাষে সমস্যা চোপড়ায়, জলসেচে বাড়তি খরচ
  • ১৩ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, চোপড়া: পর্যাপ্ত বৃষ্টির অভাবে চোপড়া ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার কৃষকেরা ধান রোপণ করতে গিয়ে চরম সমস্যায় পড়েছেন। মাঝ বর্ষাতেও বৃষ্টির দেখা না মেলায় জমিতে জলের অভাব। যার ফলে ধান রোপণ ব্যাহত হচ্ছে। কৃষকেরা বাড়তি টাকা খরচ করে জলসেচ দিয়ে ধান রোপণ করতে বাধ্য হচ্ছেন। 

Advertisement

বৃষ্টি পর্যাপ্ত না হওয়ায় চোপড়া ব্লকজুড়ে মাঠ শুকিয়ে রয়েছে। কৃষকরা বলছেন, বৃষ্টির অভাবে একদিকে ধানের চারা নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে শুকনো জমিতে ধান রোপণের জন্য বাড়তি খরচ করতে হচ্ছে। এক বিঘা জমিতে জলসেচ করে ধান রোপণ করতে প্রায় ২ হাজার ২০০ টাকা অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। এই বাড়তি খরচে ধান চাষ করে আদৌ লাভ হবে কি না, সন্দিহান কৃষকরা।
উত্তর দিনাজপুর কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞ ডঃ দেবাশিস মাহাত বলেন, জেলাজুড়ে বৃষ্টির ঘাটতি আছে ৬৯ শতাংশ। বৃষ্টির অভাবে জমিতে ধানের চারা রোপণে দেরি হচ্ছে। বীজতলাও শুকিয়ে যাচ্ছে। 
দাসপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের কুলাগাঁও গ্রামের কৃষক নুরুল ইসলামের কথায়, আরও এক সপ্তাহ দেখব বৃষ্টি হয় কি না। না হলে অন্যদের মতো আমাকেও জলসেচ করে ধান রোপন করতে হবে। এদিকে কাইয়ুম আলমের জমি পুরো শুকিয়ে গিয়েছে বৃষ্টির অভাবে। তিনি বলেন, জলসেচ করে ধান রোপণ না করলে চারা নষ্ট হয়ে যাবে। শুধু ধানচাষ নয়, বৃষ্টির অভাবে পাট পচাতেও সমস্যায় পড়েছেন কোটগছের বিপুল রায়ের মতো চোপড়া ব্লকের বহু চাষি।
বিপুল বলেন, অধিকাংশ পুকুর শুকিয়ে গিয়েছে। জল নেই। কোথায় পাট জাগ দেব। তবে কয়েকদিনের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্র সূত্রে জানা গিয়েছে। বিজ্ঞানী দেবাশিসবাবু বলেছেন, আগামী তিনদিন হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ