সংবাদদাতা, বালুরঘাট: আবাস যোজনা প্রকল্পে কাঁটাতারের ওপারে থাকা গ্রামের বাসিন্দাদের ঘর পাওয়া নিয়ে চরম জটিলতা। সুরাহা খুঁজতে রাজ্যের দ্বারস্থ হল জেলা প্রশাসন। সমস্যায় পড়া পরিবারগুলির তালিকা তৈরি করে পাঠানো হয়েছে নবান্নে। প্রশাসন সূত্রে খবর, জিরো পয়েন্টের পিলার থেকে ১৫০ গজের মধ্যে কোনও পাকা নির্মাণ করা যায় না। এদিকে জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় বহু গ্রাম কাঁটাতারের ওপারে জিরো পয়েন্ট থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে। সেই গ্রামগুলির বহু বাসিন্দার নাম আবাস যোজনায় থাকলেও তাঁদের ঘর কীভাবে হবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে প্রশাসনের অন্দরে। কিছু বাসিন্দা কাঁটাতারের এপারে জমি দেখিয়ে দিলেও বেশিরভাগের সেই সুবিধা নেই। সেক্ষেত্রে কীভাবে তাঁদের প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হবে তা নিয়ে ব্লক, জেলা প্রশাসনের কর্তাদের মাথাব্যথা বেড়েছে।
Advertisement
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, কাঁটাতারের ওপারের ভারতীয় গ্রামের বাসিন্দাদের আবাস তালিকায় নাম রয়েছে। সেখানে নির্মাণ করা নিয়ে আমরাও চিন্তায় রয়েছি। আলাদাভাবে তাঁদের তালিকা তৈরি করে রাজ্যের কাছে পাঠানো হয়েছে। রাজ্য কী নির্দেশ দেয়, সেই অপেক্ষায় রয়েছি।
ঘর পাওয়া নিয়ে চিন্তা বাড়ছে বাসিন্দাদেরও। তাঁদের দাবি, বিএসএফের নিয়মের গেরোয় হয়তো মাথাগোঁজার ঠাই পাওয়া থেকে বঞ্চিতই থেকে যাবেন। তালিকায় নাম থাকা হাড়িপুকুর গ্রামের বাসিন্দা মমিনুর মণ্ডল, রেহেনা বিবিদের কথায়, নিয়ম দেখিয়ে বিএসএফ আমাদের ঘর করতে দেবে না। সরকার টাকা দিলেও কীভাবে ঘর হবে কিছুই বুঝতে পারছি না। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, আমাদের মতো বাসিন্দাদের কথা ভেবে বিশেষ ব্যবস্থা করুক।
হিলি সীমান্তে হাড়িপুকুর, উজাল, গোবিন্দপুর, শ্রীকৃষ্ণপুর, গয়েশপুর, সহ একাধিক গ্রাম কাঁটাতারের ওপারে। এই গ্রামগুলিতে রয়েছে জিরো পয়েন্ট পিলার। বিএসএফের নিয়ম অনুযায়ী, জিরো পয়েন্ট থেকে ১৫০ গজের মধ্যে পাকা নির্মাণ করা যাবে না। এদিকে ব্লক প্রশাসন গ্রামগুলিতে সমীক্ষা করে জিও ট্যাগ করেছে। অন্য জায়গায় বাড়ি করলে প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন উপভোক্তারা। এই অবস্থায় প্রশাসন ওই গ্রামগুলির উপভোক্তাদের তালিকা তৈরি করে রাজ্য সরকারের কাছে পাঠিয়েছে। অন্য জায়গায় বাড়ি তৈরি করার অনুমতি দেওয়ার বিষয়েও ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।
হিলির বিডিও চিরঞ্জিত সরকারের কথায়, হিলি ব্লকে বহু গ্রাম কাঁটাতারের ওপারে। নির্দিষ্ট পদ্ধতি মেনে সমীক্ষা করা হয়েছে। ওপারের গ্রামের বাসিন্দাদের তালিকা জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠিয়েছি। পরবর্তী নির্দেশ অনুযায়ী কাজ হবে।
ঘর পাওয়া নিয়ে চিন্তা বাড়ছে বাসিন্দাদেরও। তাঁদের দাবি, বিএসএফের নিয়মের গেরোয় হয়তো মাথাগোঁজার ঠাই পাওয়া থেকে বঞ্চিতই থেকে যাবেন। তালিকায় নাম থাকা হাড়িপুকুর গ্রামের বাসিন্দা মমিনুর মণ্ডল, রেহেনা বিবিদের কথায়, নিয়ম দেখিয়ে বিএসএফ আমাদের ঘর করতে দেবে না। সরকার টাকা দিলেও কীভাবে ঘর হবে কিছুই বুঝতে পারছি না। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, আমাদের মতো বাসিন্দাদের কথা ভেবে বিশেষ ব্যবস্থা করুক।
হিলি সীমান্তে হাড়িপুকুর, উজাল, গোবিন্দপুর, শ্রীকৃষ্ণপুর, গয়েশপুর, সহ একাধিক গ্রাম কাঁটাতারের ওপারে। এই গ্রামগুলিতে রয়েছে জিরো পয়েন্ট পিলার। বিএসএফের নিয়ম অনুযায়ী, জিরো পয়েন্ট থেকে ১৫০ গজের মধ্যে পাকা নির্মাণ করা যাবে না। এদিকে ব্লক প্রশাসন গ্রামগুলিতে সমীক্ষা করে জিও ট্যাগ করেছে। অন্য জায়গায় বাড়ি করলে প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন উপভোক্তারা। এই অবস্থায় প্রশাসন ওই গ্রামগুলির উপভোক্তাদের তালিকা তৈরি করে রাজ্য সরকারের কাছে পাঠিয়েছে। অন্য জায়গায় বাড়ি তৈরি করার অনুমতি দেওয়ার বিষয়েও ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।
হিলির বিডিও চিরঞ্জিত সরকারের কথায়, হিলি ব্লকে বহু গ্রাম কাঁটাতারের ওপারে। নির্দিষ্ট পদ্ধতি মেনে সমীক্ষা করা হয়েছে। ওপারের গ্রামের বাসিন্দাদের তালিকা জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠিয়েছি। পরবর্তী নির্দেশ অনুযায়ী কাজ হবে।



