সংবাদদাতা, কাঁথি: কাঁথির সাতমাইল বাজারে এলইডি পথবাতি থাকলেও আলো জ্বলে না। শুধু লোহার বাতিস্তম্ভগুলি অসহায়ের মতো দাঁড়িয়ে আছে। ফলে রাত হলেই সমস্যায় পড়েন বাজারে আসা মানুষ। এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, আবার আলোকিত হয়ে উঠুক সাতমাইল বাজার। তার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হোক। কাঁথি-১ ব্লকের হৈপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে সাতমাইল বাজার। বাজারটি বেশ বড়। ব্রিজের দু’দিক মিলিয়ে কয়েকশো দোকানপাট রয়েছে। এখানে হৈপুর, দেবেন্দ্র এবং এগরার বাসুদেবপুর পঞ্চায়েত এলাকার মানুষজন বাজারে আসেন। তাই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এই বাজারে প্রচুর মানুষের আনাগোনা থাকে। সাতমাইল বাজার এই এলাকার প্রাণকেন্দ্র বলে পরিচিত। ২০১৮ সালে পরিবহণ দপ্তরের অর্থানুকূল্যে ও প্রশাসনিক উদ্যোগে সাতমাইল বাজারে কাঁথি-বেলদা সড়কের পাশে ৪২টি পথবাতি বসেছিল। প্রথম এক বছরের বেশি সময় আলো যথারীতি জ্বলেছিল। পঞ্চায়েতই বিদ্যুতের বিল মেটানোর ব্যবস্থা করত। তারপর জলের পাইপলাইন বসাতে গিয়ে একের পর এক বাতিস্তম্ভের বিদ্যুতের লাইন কাটা পড়ে। পরবর্তীকালে আর মেরামতি করার কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। খুঁটিগুলি বছরের পর বছর অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সম্প্রতি রাস্তা সম্প্রসারণের সময় অবশ্য বেশকিছু খুঁটি সরানোও হয়েছে। যার ফলে আগামীদিনে নতুন করে বাতিস্তম্ভ বসবে বা আলো জ্বলবে কি না, তা নিয়ে এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে সংশয় রয়েছে। আগে যেখানে গোটা বাজার এলইডির উজ্জ্বল আলোয় ঝলমল করে উঠত, রাতের বেলায় কার্যত অন্ধকারে ঢেকে থাকে গোটা বাজার এলাকা। দোকানগুলির আলোই যা ভরসা। হৈপুরের বাসিন্দা নিতাই দাস বলেন, আগে যখন বাজারে পথবাতির আলো জ্বলত, খুব ভালো লাগত। এলাকার মানুষজন স্বচ্ছন্দে চলাফেরা করতেন। কিন্তু এখন সব বন্ধ। অন্ধকারে ছিনতাইয়ের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সরকারিভাবে উদ্যোগ নেওয়া হলে খুব ভালো হবে। আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জনপ্রতিনিধি সহ প্রশাসনের কাছে জানিয়েছি। বিডিও অমিতাভ বিশ্বাস বলেন, এলাকার বাসিন্দারা আবেদন জানালে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।



