নিজস্ব প্রতিনিধি কৃষ্ণনগর: ১৩০ কেজি গাঁজা সহ দু’জনকে গ্রেপ্তার করল কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার পুলিস। রবিবার সকালে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের জোড়াকুঠির কাছে এঘটনা ঘটে। ধৃতদের নাম সেলিম সাহা ও সুজিত প্রামাণিক। প্রাথমিকভাবে পুলিস জানতে পেরেছে, ওড়িশা থেকে মিনি ট্রাকে গাঁজা নিয়ে আসা হচ্ছিল। নদীয়া জেলার করিমপুরে তা হস্তান্তর করার কথা ছিল। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই ঘটনার সঙ্গে আর কারা জড়িত-তা জানার চেষ্টা চালাবে পুলিস।
Advertisement
কৃষ্ণনগর পুলিস জেলার ডিএসপি রজতকুমার পাল বলেন, আমরা রবিবার সকালে একটি মিনি ট্রাক আটক করেছি। সেই ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে ১৩০ কেজি গাঁজা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী আমরা সমস্ত ব্যবস্থা নেব। এর সঙ্গে কারা যুক্ত-তা আমরা তদন্ত করে দেখব। গাড়ির ড্রাইভার ও খালাসিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিস জানিয়েছে, ট্রাকের তলায় ক্যাবিনেট বানিয়ে গাঁজা পাচারের চেষ্টা চলছিল। এই পদ্ধতি নতুন নয়। অতীতেও একাধিকবার এভাবেই গাঁজা পাচার করতে গিয়ে অনেকে ধরা পড়েছে। রবিবার সকালে জোড়াকুঠির কাছে ট্রাকটি আটক করা হয়। খালি ট্রাকটি জাতীয় সড়ক ধরে করিমপুরের দিকে যাচ্ছিল। তল্লাশি চালিয়ে দেখা যায়, সেটির নীচে বিশেষ আকারে ক্যাবিনেট বানানো হয়েছে। উপরে সব্জি রাখার জায়গা। খুঁটিয়ে না দেখলে বোঝার উপায় নেই যে ওভাবে মাদক পাচার হচ্ছে। ৬৮টি প্যাকেটে এই বিপুল পরিমাণ গাঁজা পাচার করা হচ্ছিল। ধৃত সেলিম সাহা বলে, আমরা কটক থেকে আসছিলাম। আমি গাড়ির খালাসি। কার গাড়ি তাও জানি না। ওড়িশায় সব্জি খালি করে ফিরছিলাম। আমি জানতাম না, গাড়িতে গাঁজা আছে।
পুলিস জানিয়েছে, ট্রাকের তলায় ক্যাবিনেট বানিয়ে গাঁজা পাচারের চেষ্টা চলছিল। এই পদ্ধতি নতুন নয়। অতীতেও একাধিকবার এভাবেই গাঁজা পাচার করতে গিয়ে অনেকে ধরা পড়েছে। রবিবার সকালে জোড়াকুঠির কাছে ট্রাকটি আটক করা হয়। খালি ট্রাকটি জাতীয় সড়ক ধরে করিমপুরের দিকে যাচ্ছিল। তল্লাশি চালিয়ে দেখা যায়, সেটির নীচে বিশেষ আকারে ক্যাবিনেট বানানো হয়েছে। উপরে সব্জি রাখার জায়গা। খুঁটিয়ে না দেখলে বোঝার উপায় নেই যে ওভাবে মাদক পাচার হচ্ছে। ৬৮টি প্যাকেটে এই বিপুল পরিমাণ গাঁজা পাচার করা হচ্ছিল। ধৃত সেলিম সাহা বলে, আমরা কটক থেকে আসছিলাম। আমি গাড়ির খালাসি। কার গাড়ি তাও জানি না। ওড়িশায় সব্জি খালি করে ফিরছিলাম। আমি জানতাম না, গাড়িতে গাঁজা আছে।



