সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: বৃহস্পতিবার ফাঁসিদেওয়া ব্লকের বিধাননগরের কাশিগছে চা বাগান দখলমুক্ত করল বনদপ্তর। এদিন এলাকার বুড়ি বালাসন নদীর ধারে ৯.২৫ হেক্টর জমির চা গাছ উপড়ে কংক্রিটের পিলার লাগিয়ে দেয় ঘোষপুকুর রেঞ্জ।
Advertisement
২০০৬ সালে এলাকার ১২ হেক্টর জমিতে বৃক্ষরোপণ করেছিল বনবিভাগ। তবে নদীর গতিপথ পরিবর্তনের জেরে বনবিভাগের জমির মাঝ দিয়ে বয়ে যায় বুড়ি বালাসন। এদিকে, বনবিভাগের নজর এড়িয়ে বছর দশেক আগে ওই এলাকায় ক্ষুদ্র চা বাগান গজিয়ে ওঠে। সরকারি জমি পুনরুদ্ধারের ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুঁশিয়ারির পর ঘুম ভাঙে বিভিন্ন দপ্তরের। তারপর ব্লক প্রশাসন, ভূমিদপ্তর বিভিন্ন সরকারি জমি চিহ্নিত করে দখলমুক্ত করার অভিযানে নেমেছে।
ইতিমধ্যেই কার্শিয়াং ডিভিশনের একাধিক রেঞ্জের এক্তিয়ারভুক্ত এলাকার বনভূমিতে বোর্ড লাগিয়ে দিয়েছে বনবিভাগ। ঘোষপুকুরের রেঞ্জার প্রমিত লাল বলেন, নদীর গতিপথ পরিবর্তনের জেরে জমিটি দু’টি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। তবে নদীর একপ্রান্তে জঙ্গল থাকলেও, অপরপ্রান্তটি দখল হয়ে যায়। ব্যক্তিগত উদ্যোগে চা বাগান করা হয়। বিষয়টি নজরে আসতেই সমীক্ষা করি। সেমতো উপর মহলের নির্দেশে ৯.২৫ হেক্টর জমি দখলমুক্ত অভিযানে নামা হয়। কংক্রিটের শেডঘর ভাঙা হল। চা গাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে। সেখানে কংক্রিটের পিলার বসিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে বনদপ্তরের বোর্ড লাগানো হয়েছে। ওই জমিতে ফের বৃক্ষরোপণ করা হবে।
প্রসঙ্গত, ঘোষপুকুর রেঞ্জের অধীনে হাঁড়িভিটা ও জটিয়াকালী এলাকায় দখল হওয়া কয়েক একর আনারস বাগানও উপড়ে ফেলে বৃক্ষরোপণ করেছে বনবিভাগ। গতবছরের ডিসেম্বরে ত্রিহানা চা বাগানের মোহনলাল ডিভিশনের ৩৮ একর জমি দখলমুক্ত করেছে বনদপ্তর। পাহাড়গুমিয়া চা বাগানের দাগথু মৌজার ৫২ একর জমিও বনদপ্তর দখলমুক্ত করেছে। আগামী
দিনেও এমন অভিযান চলবে বলে দাবি বনবিভাগের।
ইতিমধ্যেই কার্শিয়াং ডিভিশনের একাধিক রেঞ্জের এক্তিয়ারভুক্ত এলাকার বনভূমিতে বোর্ড লাগিয়ে দিয়েছে বনবিভাগ। ঘোষপুকুরের রেঞ্জার প্রমিত লাল বলেন, নদীর গতিপথ পরিবর্তনের জেরে জমিটি দু’টি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। তবে নদীর একপ্রান্তে জঙ্গল থাকলেও, অপরপ্রান্তটি দখল হয়ে যায়। ব্যক্তিগত উদ্যোগে চা বাগান করা হয়। বিষয়টি নজরে আসতেই সমীক্ষা করি। সেমতো উপর মহলের নির্দেশে ৯.২৫ হেক্টর জমি দখলমুক্ত অভিযানে নামা হয়। কংক্রিটের শেডঘর ভাঙা হল। চা গাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে। সেখানে কংক্রিটের পিলার বসিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে বনদপ্তরের বোর্ড লাগানো হয়েছে। ওই জমিতে ফের বৃক্ষরোপণ করা হবে।
প্রসঙ্গত, ঘোষপুকুর রেঞ্জের অধীনে হাঁড়িভিটা ও জটিয়াকালী এলাকায় দখল হওয়া কয়েক একর আনারস বাগানও উপড়ে ফেলে বৃক্ষরোপণ করেছে বনবিভাগ। গতবছরের ডিসেম্বরে ত্রিহানা চা বাগানের মোহনলাল ডিভিশনের ৩৮ একর জমি দখলমুক্ত করেছে বনদপ্তর। পাহাড়গুমিয়া চা বাগানের দাগথু মৌজার ৫২ একর জমিও বনদপ্তর দখলমুক্ত করেছে। আগামী
দিনেও এমন অভিযান চলবে বলে দাবি বনবিভাগের।



