Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কংসাবতীতে ডুবে মৃত্যু নাবালকের চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ

কংসাবতীতে ডুবে মৃত্যু নাবালকের চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ
  • ১৮ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: কংসাবতী নদীতে স্নানে গিয়ে জলে তলিয়ে যায় এক নাবালক। পশ্চিম মেদিনীপুরের মোহনপুরে কংসাবতী নদী থেকে নাবালককে উদ্ধার করে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। এমনকী, নাবালকের কপালে ডেথ ব্যান্ডেজ চিটিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু পরিবারের দাবি, তখনও নাবালক বেঁচে ছিল। কিছুক্ষণ পর চিকিৎসকদের তার জীবিত থাকার কথা জানানো হলে তাঁরা চিকিৎসা শুরু করেন। নাবালকটি বেঁচে ওঠে বলে পরিবারের দাবি। ফের চিকিৎসা শুরু হয়। তারপর সিসিইউতে ভর্তি করানো হয়। কিছুক্ষণ পর সিসিইউতে নাবালকের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা থেকে তৃণমূলের কাউন্সিলার। হাসপাতাল চত্বরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, চিকিৎসকের গাফিলতির জেরে নাবালকের মৃত্যু হয়েছে। ওই নাবালকের নাম ভি সাই কুমার(১৭)। তার বাড়ি খড়গপুর শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দুপুর ২টো নাগাদ মোহনপুরে কংসাবতী নদীর তীরে স্নান করতে আসে ওই নাবালক। অভিযোগ, নাবালক তলিয়ে যেতে থাকলেও কেউ সাহায্যের হাত বাড়ায়নি। খবর পেয়ে পুলিস এসে নাবালককে উদ্ধার করে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নাবালককে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।  কিন্তু পরিবারের দাবি, নাবালক বেঁচে ছিল। তারপর পরিজনেরা কর্তব্যরত চিকিৎসককে জানান। ফের নাবালকের চিকিৎসা শুরু হয়। পেট ও বুকে টিপে পাম্প করেন চিকিৎসকরা। নাবালক বেঁচে ওঠে। স্থানীয় কাউন্সিলার ফিদা হোসেন বলেন, ছেলেটি বেঁচে ছিল। কোনও চিকিৎসা হয়নি। সময় মতো চিকিৎসা শুরু হলে শিশুটিকে বাঁচানো যেত। চিকিৎসকের গাফিলতির জেরে শিশুটির মৃত্যু হল। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এমএসভিপি জয়ন্ত রাউত বলেন, নাবালকটিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। অনেক সময় পেশী সংকোচনের ফলে এমন ধরনের ঘটনা ঘটে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ