নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: হাসপাতালে কর্মরত অবস্থায় শারীরিক হেনস্তার শিকার হলেন এক মহিলা চিকিৎসক। নন্দকুমার ব্লকের খেজুরবেড়িয়া গ্রামীণ হাসপাতালে ২ ডিসেম্বর ঘটনাটি ঘটে। ওইদিন সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ জরুরি বিভাগে এই ঘটনার পর নিগৃহীত চিকিৎসক থানায় এফআইআর করেছেন। তারপর তিনি ছুটিতে চলে গিয়েছেন। বৃহস্পতিবার ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ও মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ওই চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এই ঘটনায় স্বাস্থ্যদপ্তরের অন্দরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
Advertisement
হাসপাতাল সূত্রের খবর, ওইদিন সন্ধ্যা ৬টা ৪৫মিনিট নাগাদ নন্দকুমার থানার শীতলপুর গ্রাম থেকে এক ব্যক্তি হাসপাতালে যায়। সে দাবি করে, একটি মারপিটের ঘটনায় সে জখম হয়েছে। অভিযোগ, শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় ওই ব্যক্তি দাবি করে, মারপিটের সময় তার গোপনাঙ্গে আঘাত করা হয়েছে। তবে মহিলা চিকিৎসককে সে আঘাতের জায়গা দেখাতে চায় না। এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসক হাসপাতালের পুরুষ কর্মীদের মাধ্যমে আঘাতের জায়গা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি ওই ব্যক্তিকে বলেন, বাহ্যিক আঘাতের ক্ষেত্রে মেডিক্যাল রিপোর্ট লেখার জন্য এটা জরুরি। অভিযোগ, এরপরই ওই রোগী ক্রুদ্ধ হয়ে চিকিৎসকের গালে সপাটে চড় মারে। এমনকী, বাহ্যিক আঘাত তেমন না থাকলেও মেডিক্যাল রিপোর্টে আঘাতের কথা লেখার জন্য চাপ দেয়। ওই চিকিৎসক তাতে কর্ণপাত না করায় তাঁর পাশে থাকা হাসপাতালের অন্য কর্মীরাও আক্রান্ত হন। এরপরই চিকিৎসক ওই রোগীর বিরুদ্ধে নন্দকুমার থানায় এফআইআর করেন। যদিও স্থানীয় বিএমওএইচ শুভাশিস পাঠক বলেন, ওই চিকিৎসক এফআইআর করেছেন বলে জানা নেই।
বৃহস্পতিবার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বিভাস রায় সংবাদমাধ্যমের কাছ থেকে এখবর জানতে পারেন। এরপর তিনি ওই মহিলা মেডিক্যাল অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু বারবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এরপর মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বিএমওএইচকে ফোন করে ঘটনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। নন্দকুমার থানার ওসি উজ্জ্বল নস্কর বলেন, এফআইআর দায়ের হয়েছে। তার ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বিভাস রায় সংবাদমাধ্যমের কাছ থেকে এখবর জানতে পারেন। এরপর তিনি ওই মহিলা মেডিক্যাল অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু বারবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এরপর মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বিএমওএইচকে ফোন করে ঘটনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। নন্দকুমার থানার ওসি উজ্জ্বল নস্কর বলেন, এফআইআর দায়ের হয়েছে। তার ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে।



