Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দ্বিতীয় দিনেও শতাধিক বিসর্জন উচ্ছ্বাসে মাতোয়ারা কৃষ্ণনগর

জগদ্ধাত্রী বিসর্জনের দ্বিতীয় দিন শনিবারও যেন উৎসবের রেশ কাটেনি কৃষ্ণনগরে। সন্ধ্যা হতেই শহরের রাজপথে নামে প্রতিমার শোভাযাত্রা।

দ্বিতীয় দিনেও শতাধিক বিসর্জন উচ্ছ্বাসে মাতোয়ারা কৃষ্ণনগর
  • ৩ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কৃষ্ণনগর: জগদ্ধাত্রী বিসর্জনের দ্বিতীয় দিন শনিবারও যেন উৎসবের রেশ কাটেনি কৃষ্ণনগরে। সন্ধ্যা হতেই শহরের রাজপথে নামে প্রতিমার শোভাযাত্রা। তবে এদিন কিন্তু কৃষ্ণনগরের চিরচরিত প্রথা সাং এর মাধ্যমে বিসর্জন হয়নি। বিসর্জন হয়েছে লরি ও রাসের চাকা লাগানো গাড়িতে। শহরের বিভিন্ন বারোয়ারিগুলি ঢাকের তালে, বিভিন্ন বাজনা ও নাচের ছন্দে শোভাযাত্রার মাধ্যমে প্রতিমা বিসর্জনে অগ্রসর হয়েছিল। প্রায় শতাধিক প্রতিমার বিসর্জন ঘিরে রাজবাড়ি, পোস্টঅফিস মোড়, মিউনিসিপ্যালিটি মোড়, চ্যালেঞ্জ মোড় ও বিসর্জন ঘাটে উপচে পড়ে মানুষের ভিড়। সারারাত জুড়ে আনন্দের বন্যায় ভেসেছে কৃষ্ণনগরবাসী। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার কড়া বন্দোবস্ত ছিল যাতে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয় এই বিসর্জন পর্ব।

Advertisement

উৎসবের এই আবহে প্রথম দিনে সাং প্রথা যেমন শহরবাসীর আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিল, তেমনই দ্বিতীয় দিন বারোয়ারিগুলি বিভিন্ন সাজসজ্জার মাধ্যমে প্রতিমা বিসর্জনে অংশ নেয়।
বিসর্জন দেখতে আসা শহরের বাসিন্দারা বলেন, প্রতি বছর এই চারটে দিন কৃষ্ণনগর যেন নতুন করে বাঁচে। শনিবার বিকাল সাড়ে তিনটে নাগাদ বুড়িমার বিসর্জন শেষ হয়েছে। তারপরে সন্ধ্যা থেকেই দ্বিতীয় দিনের ভিড় বুঝিয়ে দিল কৃষ্ণনগরবাসী জগদ্ধাত্রী পুজো নিয়ে কতটা উৎসাহী। সেই জন্য আমরা চাই আগামী বছর  দ্বিতীয় দিনের বিসর্জনের শোভাযাত্রা আরও আকর্ষণীয় হোক। ঘট ভাসানের মতো চমক থাকুক দ্বিতীয় দিনের প্রতিমা নিরঞ্জনের শোভাযাত্রায়।
দ্বিতীয় দিনে বিসর্জন শোভাযাত্রায় আসা রেনবো ক্লাবের সদস্য রণজিৎ ভট্টাচার্য বলেন, আমরা প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া নিয়ম মেনে বিসর্জনে অংশ নিয়েছি। শোভাযাত্রা, ঢাক, ক্যাসিও বাজনা সহযোগে নিরঞ্জন হয়েছে। 
বিসর্জন দেখতে আসা এক দর্শনার্থী শুভাশিস হালদার বলেন, দ্বিতীয় দিনের বিসর্জন প্রথম দিনের মতো অতটা জমজমাট না হলেও মানুষের মনে একটা জায়গা করে নিয়েছে। ভিড়ও হয়েছিল খুব। সব বারোয়ারির কাছে অনুরোধ, দ্বিতীয় দিনের বিসর্জনটা আরও আকর্ষণীয় করে তুললে আরও প্রাণ পাবে এই শোভাযাত্রা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ