সংবাদদাতা, কান্দি: সম্প্রতি সেচদপ্তর শহরের শতাব্দী প্রাচীন স্বরূপখালের সংস্কার শুরু করতেই উধাও মশা ও মাছির উপদ্রব। নেই দুর্গন্ধ। খোলা হাওয়ায় শ্বাস নিতে পারছেন কান্দি শহরের বাসিন্দারা। ৪ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সংস্কার হচ্ছে স্বরূপখালের।
Advertisement
বাসিন্দারা জানিয়েছেন, অনুমান ১০০ বছর আগে শহরের ওই নিকাশি খাল খনন করা হয়েছিল। এটি শহরের গা-ঘেঁষা কানা ময়ূরাক্ষী নদী থেকে উৎপত্তি হয়েছে স্বরূপখালের। কয়েক কিলোমিটার পর মিশেছে বাঘবাটি গ্রামের কাছে বড় নদীতে। শহরের প্রধান নিকাশি নালা এটি। বিভিন্ন হাইড্রেনের জল সেখানে পড়ে। কিন্তু কয়েক দশক ধরে এর কোনও সংস্কার হয়নি। ফলে অস্তিত্ব হারাতে বসেছিল স্বরূপখাল। খালের পাড় জবরদখল হওয়া থেকে জলবহন ক্ষমতা হারিয়ে যেতে বসেছিল।
এরপর মাস দেড়েক আগে ওই খালের সংস্কার শুরু করে সেচদপ্তর। তাতে প্রধান ও শাখা নিকাশি মাধ্যমের প্রায় ১৭০০ মিটার খননের কাজ চলছে। খালের বিভিন্ন জায়গার দুই পাড়ের কোথাও রেলিং, কোথাও কংক্রিটের দেওয়াল তোলা হয়েছে। এছাড়াও দেড় মিটার উচ্চতার নতুন কয়েকটি ড্রেনও তৈরি হবে বলে সেচদপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে।
তবে সেচদপ্তর জবরদখল উচ্ছেদ নিয়ে সমস্যার আশঙ্কা করেছিল। কিন্তু কান্দি পুরসভার উদ্যোগে সেই সমস্যা তৈরি হয়নি। কান্দি মহকুমা সেচ আধিকারিক সুনীলকুমার চট্টোপাধ্যায় বলেন, এখনও পর্যন্ত কোথাও সমস্যায় পড়তে হয়নি। প্রকল্পের কাজ প্রায় ৪০ শতাংশ হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে খালের বিভিন্ন এলাকায় খনন কার্য চলছে। কয়েকশো মিটার এলাকায় রেলিংয়ের কাজও হয়েছে। বহু বাড়ি ও দোকান ভাঙা পড়ছে। কিন্তু যেভাবে কান্দি পুরসভা ও কান্দির বিধায়ক সহযোগিতা করছেন তাতে আগামীতেও কোনও সমস্যা হবে বলে মনে হয় না।
কান্দি পুরসভার চেয়ারম্যান জয়দেব ঘটক বলেন, জবরদখল উচ্ছেদে আপাতত কোনও সমস্যা হয়নি। কোথাও মানুষ নিজেদের স্বার্থেই সরে যাচ্ছেন। কোথাও আবার বাসিন্দাদের বুঝিয়ে কাজ হচ্ছে।
এদিকে কয়েক শতাব্দী পর খালের সংস্কার শুরু হওয়ায় বাসিন্দারা খুশি। কান্দির হোটেলপাড়ার বাসিন্দা মিন্টু মিঁয়া বলেন, খাল সংস্কার শুরু হতেই মশা ও মাছির উপদ্রব একেবারে কমে গিয়েছে। খালের থেকে আর গন্ধও আসে না। বহুবছর পর সুস্থভাবে খোলা হাওয়ায় নিঃশ্বাস নিতে পারছি। শহরের অপর বাসিন্দা সৌমেন মুখোপাধ্যায় বলেন, আমার জীবনে এই প্রথম খালের সংস্কার দেখছি। কাজ বেশ ভালো হচ্ছে। কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, আমার জীবনে কখনও এই খালের সংস্কার হয়েছে বলে মনে হয় না। কান্দির মানুষের কয়েক দশকের দাবি ছিল এই খালের সংস্কার। রাজ্য সরকারের সেচদপ্তর ও মুখ্যমন্ত্রী নিজে উদ্যোগী হওয়ায় এর অর্থ বরাদ্দ হয়েছে। কান্দির মানুষ এর জন্য রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছে।
এরপর মাস দেড়েক আগে ওই খালের সংস্কার শুরু করে সেচদপ্তর। তাতে প্রধান ও শাখা নিকাশি মাধ্যমের প্রায় ১৭০০ মিটার খননের কাজ চলছে। খালের বিভিন্ন জায়গার দুই পাড়ের কোথাও রেলিং, কোথাও কংক্রিটের দেওয়াল তোলা হয়েছে। এছাড়াও দেড় মিটার উচ্চতার নতুন কয়েকটি ড্রেনও তৈরি হবে বলে সেচদপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে।
তবে সেচদপ্তর জবরদখল উচ্ছেদ নিয়ে সমস্যার আশঙ্কা করেছিল। কিন্তু কান্দি পুরসভার উদ্যোগে সেই সমস্যা তৈরি হয়নি। কান্দি মহকুমা সেচ আধিকারিক সুনীলকুমার চট্টোপাধ্যায় বলেন, এখনও পর্যন্ত কোথাও সমস্যায় পড়তে হয়নি। প্রকল্পের কাজ প্রায় ৪০ শতাংশ হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে খালের বিভিন্ন এলাকায় খনন কার্য চলছে। কয়েকশো মিটার এলাকায় রেলিংয়ের কাজও হয়েছে। বহু বাড়ি ও দোকান ভাঙা পড়ছে। কিন্তু যেভাবে কান্দি পুরসভা ও কান্দির বিধায়ক সহযোগিতা করছেন তাতে আগামীতেও কোনও সমস্যা হবে বলে মনে হয় না।
কান্দি পুরসভার চেয়ারম্যান জয়দেব ঘটক বলেন, জবরদখল উচ্ছেদে আপাতত কোনও সমস্যা হয়নি। কোথাও মানুষ নিজেদের স্বার্থেই সরে যাচ্ছেন। কোথাও আবার বাসিন্দাদের বুঝিয়ে কাজ হচ্ছে।
এদিকে কয়েক শতাব্দী পর খালের সংস্কার শুরু হওয়ায় বাসিন্দারা খুশি। কান্দির হোটেলপাড়ার বাসিন্দা মিন্টু মিঁয়া বলেন, খাল সংস্কার শুরু হতেই মশা ও মাছির উপদ্রব একেবারে কমে গিয়েছে। খালের থেকে আর গন্ধও আসে না। বহুবছর পর সুস্থভাবে খোলা হাওয়ায় নিঃশ্বাস নিতে পারছি। শহরের অপর বাসিন্দা সৌমেন মুখোপাধ্যায় বলেন, আমার জীবনে এই প্রথম খালের সংস্কার দেখছি। কাজ বেশ ভালো হচ্ছে। কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, আমার জীবনে কখনও এই খালের সংস্কার হয়েছে বলে মনে হয় না। কান্দির মানুষের কয়েক দশকের দাবি ছিল এই খালের সংস্কার। রাজ্য সরকারের সেচদপ্তর ও মুখ্যমন্ত্রী নিজে উদ্যোগী হওয়ায় এর অর্থ বরাদ্দ হয়েছে। কান্দির মানুষ এর জন্য রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছে।



