নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: বহরমপুর থেকে এক যুবককে অপহরণ করেও শেষরক্ষা হল না দুষ্কৃতীদের। উপস্থিত বুদ্ধির জোরে অপহরণকারীদের হাত থেকে রেহাই পেয়েছেন ওই যুবক। গ্রেফতার হয়েছে একজন অপহরণকরী।
নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: বহরমপুর থেকে এক যুবককে অপহরণ করেও শেষরক্ষা হল না দুষ্কৃতীদের। উপস্থিত বুদ্ধির জোরে অপহরণকারীদের হাত থেকে রেহাই পেয়েছেন ওই যুবক। গ্রেফতার হয়েছে একজন অপহরণকরী।
জানা গিয়েছে, বহরমপুরের গোরাবাজারের একটি আবাসন থেকে বুধবার সন্ধ্যায় অপহরণ করা হয় এক কলেজ ছাত্রকে। লালবাগ থানার তেঁতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা ওই ছাত্রকে একটি বাইকে চাপিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর বাড়িতে ফোন করে ২ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়। প্রথমে ডোমকলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ওই যুবককে। ওই যুবকের বাবা বহরমপুর থানার দারস্থ হন। মামলা রুজু করে পুলিশ তড়িঘড়ি বিশেষ দল গঠন করে তদন্তে নামে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় পুলিশ। বেশকিছু বাড়িতে হানা দেওয়া হয়। ডোমকল থানার বেশকিছু গ্রামেও হানা দেয় বহরমপুর থানার পুলিশ। তল্লাশি চলে বহরমপুরের গোরাবাজার, কাশিমবাজার এলাকাতেও। কিন্তু, কোথাও খোঁজ পাওয়া যায়নি ওই যুবকের।
এরপর পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে ওই যুবককে বাইকের মাঝে বসিয়ে মুর্শিদাবাদ থেকে নদীয়ার দিকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করে অপহরণকারীরা। বেলডাঙার বেগুনবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় বুদ্ধি করে অপহৃত যুবক হঠাৎ বাইকের সামনের চাকার ব্রেকে চাপ দেয়। এতেই কিস্তিমাৎ। মোটর সাইকেল সহ মাটিতে পড়ে যায় তিন জন। দৌড়ে স্থানীয়দের জড়ো করেন ওই অপহৃত যুবক। স্থানীয়রাই একজন অপহরণকারীকে ধরে ফেলে। যদিও বাইক নিয়ে পালিয়ে যায় অপরজন। গ্রেফতার করা হয়েছে ধরা পড়া অপহরণকারীকে।
পুলিশ জানিয়েছে, অপর অপহরণকারীর সন্ধানে তল্লাশি চলছে। বাইক দুর্ঘটনায় জখম হয়েছে অপহৃত যুবক। মুর্শিদাবাদের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে। কী কারণে ওই যুবককে অপহরণ করা হয়েছিল তাও জানার চেষ্টা করছে। এছাড়া অপহরণকারীরা ওই যুবকের পূর্ব পরিচিত কি না তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।