সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: দীর্ঘদিন পরিষ্কার না হওয়ায় খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতাল চত্বর ঝোপঝাড়ে ভরে গিয়েছে। বাড়ছে মশা। বেড়েছে সাপের উপদ্রবও। হাসপাতালের একটি সূত্রে খবর, গত কয়েক দিনে ১৮টি সাপ বেরিয়েছে। দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে রোগী ও অন্যান্যদের। অভিযোগ, বার বার পুরসভাকে জানানো সত্ত্বেও পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে ফের পুরসভাকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে সাপের উপদ্রবের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। আগামী ২৮ জুলাই রোগী কল্যাণ সমিতির মিটিংয়েও বিষয়টি আলোচ্যসূচিতে রাখা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, হাসপাতাল চত্বর পার্থেনিয়াম সহ নানা আগাছায় ভরে গিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার না হওয়ায় আগাছাগুলো বেশ বড় হয়ে গিয়েছে। মশাও বাড়ছে। আগাছার আড়ালে আশ্রয় নিচ্ছে সাপও। আগাছার পাশাপাশি আবর্জনাও জমা হচ্ছে বলে অভিযোগ। রোগী ও তাদের পরিজনরা বলেন, মশায় টেকা দায় হয়ে উঠেছে। চলাচলের রাস্তা আগাছায় ভরে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। আগাছা পরিষ্কারের কোনও উদ্যোগই নিচ্ছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। প্রসঙ্গত খড়্গপুর শহর ছাড়াও গ্রামীণ এলাকা সহ বেশ কয়েকটি ব্লক থেকে প্রতিদিন এই হাসপাতালে রোগী আসে।
রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান হেমা চৌবে বলেন, হাসপাতাল চত্বরের ঝোপঝাড় পরিষ্কার করার কথা পুরসভার। কিন্তু তারা নিয়মিত পরিষ্কার করছে না। ফলে এই পরিস্থির সৃষ্টি হয়েছে। হাসপাতালের পক্ষ থেকে পুরসভাকে বার বার জানিয়েও কোনও ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় ফের চিঠি দেওয়া হয়েছে। পুরসভার চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ বলেন, এরকম কোনও চিঠি আমরা পাইনি। পরিষ্কার করা হচ্ছে না, এ অভিযোগ ঠিক নয়। প্রতি সপ্তাহে দু’ দিন করে আমাদের সাফাই কর্মীরা হাসপাতালে যায়। তিনি বলেন, তবুও সাফাই বিভাগের পরিদর্শকের কাছে বিষয়টি জানতে চাওয়া হবে। তাঁর মতে পুরসভা করে দিলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষেরও পরিষ্কারের বিষয় উদ্যোগ নেওয়া উচিত। ওদের তো এর জন্য ফান্ড আছে। কর্মীও আছে। -নিজস্ব চিত্র