Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কেতুগ্রাম: সড়কের জমি অধিগ্রহণ নিয়ে চাষিদের সঙ্গে বৈঠক প্রশাসনের

খড়্গপুর-মোড়গ্রাম জাতীয় সড়ক নির্মাণের জন্য শুরু হয়েছে জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া। মঙ্গলবার কেতুগ্রামের চাষিদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করেন জেলার ভূমি অধিগ্রহণ দপ্তরের কর্তারা।

কেতুগ্রাম:  সড়কের জমি অধিগ্রহণ নিয়ে চাষিদের সঙ্গে বৈঠক প্রশাসনের
  • ২ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাটোয়া: খড়্গপুর-মোড়গ্রাম জাতীয় সড়ক নির্মাণের জন্য শুরু হয়েছে জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া। মঙ্গলবার কেতুগ্রামের চাষিদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করেন জেলার ভূমি অধিগ্রহণ দপ্তরের কর্তারা। কীভাবে অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে, কীভাবে চাষিরা ক্ষতিপূরণ পাবেন, তা সমস্তটাই বোঝানো হয়। এদিন কেতুগ্রাম-১ ব্লক অফিসে চাষিদের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলার অতিরিক্ত ভূমি অধিগ্রহণ অফিসার অনিন্দ গৌতম। তিনি বলেন, জমি অধিগ্রহণ থেকে চেক বিলি পর্যন্ত সমস্তটাই চাষিদের বোঝানো হয়েছে। ত্রুটিপূর্ণ জমি কীভাবে চাষিরা দেবেন তাও বোঝানো হয়েছে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেতুগ্রামের বিধায়ক শেখ শাহনেওয়াজ ও বিডিও।

Advertisement

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, চার লেনের করা হবে খড়্গপুর-মোড়গ্রাম জাতীয় সড়ক। এই প্রকল্পের জন্য ১০ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ২৩১ কিমি রাস্তাটি তৈরি করবে ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অব ইন্ডিয়া। রাস্তাটি চওড়া হবে ২০০ ফুট। তারজন্য ৪২৪.৪৪ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। তারমধ্যে খাস জমি ও জলাশয় বাদ দিলে ৩৬২ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। জাতীয় সড়কটি পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে শুরু করে হুগলি, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম হয়ে মুর্শিদাবাদে গিয়ে জুড়বে। পূর্ব বর্ধমানের ছ’টি ব্লকের উপর দিয়ে যাবে এই জাতীয় সড়ক। নতুন এই ইকোনমিক করিডরটি রাজ্যের পাঁচটি জাতীয় সড়ক, ছ’টি রাজ্য সড়কের সঙ্গে যুক্ত হবে। প্রকল্পের জন্য মোট ১০৯টি সেতু, ১০৩টি আন্ডারপাস ১৮টি ফ্লাইওভার, চারটি রেলওভার ব্রিজ এবং তিনটি ইন্টারচেঞ্জ নেটওয়ার্ক থাকবে। ২০২৮ সালের মধ্যে প্রস্তাবিত কাজ শেষ হবে বলে জানা গিয়েছে। 
এদিন কেতুগ্রাম-১ ব্লকের এহিয়াপুর চক, আরগুন, দধিয়া, খাসপুর, সেরান্দি, এহিয়াপুর মৌজার প্রায় দেড় হাজার চাষি উপস্থিত ছিলেন। বেশিরভাগ চাষিই জমি দিতে ইচ্ছুক হয়েছেন। বাংলার অর্থনীতিতে নতুন ইকোনমিক করিডর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খুব কম সময়ে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের যোগাযোগ হবে। মঙ্গলকোটের হালিমপুর, ইছাবটগ্রাম, ঝিলু, খুর্তুবা, মাহার্তুবা, মঙ্গলকোট ও নবগ্রাম মৌজার চাষিদের কাছ থেকে জমি নেওয়া হবে। এসব মৌজার উপর দিয়ে বাদশাহি সড়ক গিয়েছে। বাদশাহি সড়কের সঙ্গে নতুন ইকোনমিক করিডর যুক্ত হবে। 
কেতুগ্রামের বিধায়ক বলেন, অনেক চাষির জমির পরচা, মিউটেশন সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে। সেক্ষেত্রে কীভাবে তাঁরা সেগুলি সংশোধন করবেন, তা এদিন বোঝানো হয়েছে। এই ব্যাপারে আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে। তবে নতুন ইকোনমিক করিডর রাজ্যে তৈরি হলে বাণিজ্যিকভাবে আমরা অত্যন্ত লাভবান হব।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ