Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কাঁচা পাতার দাম মাত্র ১৪ টাকা কেজি! বিপাকে ক্ষুদ্র চা চাষিরা

কাঁচা পাতার দাম মাত্র ১৪ টাকা কেজি! বিপাকে ক্ষুদ্র চা চাষিরা
  • ২০ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: বাগান থেকে চা পাতা তোলার শেষ দিন ধার্য করেছে টি বোর্ড। এই নির্দেশিকা পরেই হু হু করে কমছে কাঁচা পাতার দাম। ফলে ব্যাপক আর্থিক লোকসানের মুখে ক্ষুদ্র চা চাষিরা। 
Advertisement
দুর্গাপুজোর পর থেকেই হু হু করে কমতে শুরু করে কাঁচা চা পাতার দাম। পুজোর আগে ৩০ টাকা প্রতি কেজি চা পাতার দাম ছিল। আর পুজোর পর কমতে কমতে গত ১৫ দিন ধরে দাম কমে দাঁড়ায় ১২-১৪ টাকা প্রতি কেজি। ফলে উত্তররের চা বাগানের সঙ্গে যুক্ত লক্ষাধিক মানুষের মাথায় হাত পড়েছে। এর পিছনে টি বোর্ডের নির্দেশকেই দায়ী করেছে বিভিন্ন চা চাষি সংগঠন। 
সংগঠনগুলি সূত্রে খবর, চলতি মরশুমে ৩০ নভেম্বরের পরে বাগান থেকে আর চা পাতা তোলা যাবে না, ‌এমনেই নির্দেশিকা জারি করেছে টি বোর্ড। গত বছর ২৬ ডিসেম্বর চা পাতা তোলার শেষদিন ধার্য করা হয়েছিল। এ বছর ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত চা পাতা তুলতে দেওয়ার দাবি জানিয়েছিল ক্ষুদ্র চা চাষিদের বিভিন্ন সংগঠন। বিষয়টি নিয়ে তাঁরা কর্তৃপক্ষকে চিঠিও দিয়েছিল। তারপরেও তাদের কথায় গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। 
জলপাইগুড়ি জেলা ক্ষুদ্র চা চাষি সমিতির সম্পাদক বিজয়গোপাল চক্রবর্তী বলেন, টি বোর্ড চা পাতা তোলার তারিখ না পিছনোয় বড় সুযোগ নিয়ে নিল চা ফ্যাক্টরিগুলি। বছরের শেষ বেলায় এসে চা চাষিদের চূড়ান্ত সঙ্কটে ফেলে দেওয়া হল। উত্তরবঙ্গের চা চাষিরা আজ দিশেহারা এবং আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন। 
চা চাষি সংগঠনগুলি সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গে কয়েক হাজার ক্ষুদ্র চা বাগান রয়েছে। শেষ ফ্ল্যাশের চা পাতা থেকে যা আয় হয় তা সাশ্রয় করে চাষিরা শুষ্ক মরশুমে বাগান পরিচর্যা করতে খরচ করেন। শেষ ফ্ল্যাশের পাতার দাম না পেয়ে শুষ্ক মরশুমে বাগান পরিচর্যা কেমনভাবে করবেন তা নিয়ে চিন্তিত তাঁরা। উত্তর দিনাজপুর জেলার ক্ষুদ্র চা চাষি সমিতির সম্পাদক দেবাশিস পাল বলেন, যে নির্দেশনামা এসেছে তাতে ছোট বাগানের চাষিরা আর্থিক ক্ষতির মুখে এসে দাঁড়ালেন।
সম্পর্কিত সংবাদ