সংবাদদাতা, চোপড়া: কাঁচা চা পাতার দাম কমে যাওয়ায় চোপড়া ব্লকের ক্ষুদ্র চা চাষিদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। তাঁদের দাবি, দুর্গাপুজোর আগেও ৩০-৩৪ টাকা কেজি দরে কাঁচা চা পাতা বিক্রি হয়েছে। লক্ষ্মীপুজোর পর দাম কমতে শুরু করে এখন ১২-১৪ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে চা গাছের শীতকালীন পরিচর্যা মার খাবে। অন্যদিকে, কীটনাশক সহ বিভিন্ন ওষুধের দাম বাড়ছে। পাতার দাম কমে যাওয়ায় মরশুমের শেষ রাউন্ডে লোকসানের মুখে পড়তে হয়েছে। এবার প্রথম দিকে বৃষ্টির অভাবে উৎপাদন তেমন হয়নি। সেজন্য প্রথম দু’টি রাউন্ডে চাষিরা লাভের মুখ দেখতে পারেননি।
Advertisement
উত্তর দিনাজপুর জেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র চা চাষি রয়েছে চোপড়া ব্লকে। নভেম্বরে শেষ রাউন্ডে চা পাতার দাম নেমে যাওয়ায় তাঁরা হতাশ। তাঁরা জানিয়েছেন, এক কেজি কাঁচা পাতা উৎপাদন করতে খরচ হয় ১৬ টাকা। কিন্তু সেই পাতা ১২-১৪ টাকায় বিক্রি হওয়ায় ক্ষতি হচ্ছে। দাম কমে যাওয়ায় অনেকে শেষ রাউন্ডের পাতা তুলছেন না। ক্ষুদ্র চা চাষি সংগঠনের নেতৃত্বের বক্তব্য, অকশন মার্কেটে চায়ের দাম ভালো থাকা সত্ত্বেও কারখানা মালিকরা এলাকায় ইচ্ছেমতো দামে কাঁচা পাতা কিনছেন। বিষয়গুলি দেখার কেউ নেই।
চোপড়ার ক্ষুদ্র চা চাষি সমিরুল ইসলাম বলেন, পাতার দাম তলানিতে ঠেকেছে। দাসপাড়া এলাকার ক্ষুদ্র চা চাষি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, শেষ রাউন্ডে পাতার দাম কমে যাওয়ায় লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি হল। এখন হয়ত টাকার অভাবে চা গাছের শীতকালীন পরিচর্যা ঠিকমতো করতে পারব না। তিনমাইল এলাকার চা চাষি গোপাল সরকার বলেন, ফ্যাক্টরি মালিকরা সিন্ডিকেট করে চা পাতার দাম কমিয়ে দিয়েছেন অথচ অকশন মার্কেটে চা পাতার দাম ভালো রয়েছে। চোপড়া স্মল টি প্লান্টার্স ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সম্পাদক পার্থ ভৌমিক বলেন, কারখানা মালিকরা চা চাষিদের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত করছেন। কিন্তু এটাও ঠিক বর্তমান সময়ে বেশিরভাগ চা পাতার কোয়ালিটি খারাপ। এজন্যও ফ্যাক্টরি মালিকরা দায়ী। তাঁরা খারাপ পাতার অজুহাতে ভালো পাতারও দাম দিচ্ছেন না। এলাকার বটলিফ কারখানার মালিক প্রীতিরঞ্জন ঘোষ অবশ্য বলেন, ইদানীং পাতার মান খারাপ হওয়ায় কিছুটা সমস্যা তৈরি হয়েছে। তবে ভালো পাতার এখনও ভালো দাম মিলছে।
চোপড়ার ক্ষুদ্র চা চাষি সমিরুল ইসলাম বলেন, পাতার দাম তলানিতে ঠেকেছে। দাসপাড়া এলাকার ক্ষুদ্র চা চাষি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, শেষ রাউন্ডে পাতার দাম কমে যাওয়ায় লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি হল। এখন হয়ত টাকার অভাবে চা গাছের শীতকালীন পরিচর্যা ঠিকমতো করতে পারব না। তিনমাইল এলাকার চা চাষি গোপাল সরকার বলেন, ফ্যাক্টরি মালিকরা সিন্ডিকেট করে চা পাতার দাম কমিয়ে দিয়েছেন অথচ অকশন মার্কেটে চা পাতার দাম ভালো রয়েছে। চোপড়া স্মল টি প্লান্টার্স ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সম্পাদক পার্থ ভৌমিক বলেন, কারখানা মালিকরা চা চাষিদের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত করছেন। কিন্তু এটাও ঠিক বর্তমান সময়ে বেশিরভাগ চা পাতার কোয়ালিটি খারাপ। এজন্যও ফ্যাক্টরি মালিকরা দায়ী। তাঁরা খারাপ পাতার অজুহাতে ভালো পাতারও দাম দিচ্ছেন না। এলাকার বটলিফ কারখানার মালিক প্রীতিরঞ্জন ঘোষ অবশ্য বলেন, ইদানীং পাতার মান খারাপ হওয়ায় কিছুটা সমস্যা তৈরি হয়েছে। তবে ভালো পাতার এখনও ভালো দাম মিলছে।



