নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: আলো, বাজি, উৎসবের আনন্দ থাকবে। তবে তার সঙ্গে চাই অন্তঃসাধনা ও সংযম। দুর্গাপুজোর আগে হাওড়ায় এসে পুজো উদ্যোক্তাদের এমনই বার্তা দিলেন রাজ্য দুর্গাপুজো সমন্বয় সমিতির চেয়ারম্যান কার্তিক মহারাজ। বৃহস্পতিবার ডুমুরজলা স্টেডিয়ামের হকি গ্রাউন্ডে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, শুধু হই-হুল্লোড়, আলোর রোশনাই আর বাজি ফাটিয়ে মায়ের আরাধনা নয়, দুর্গাপুজোর অন্তর্নিহিত তাৎপর্যও উপলব্ধি করতে হবে।
বুধবার রাজ্য সরকারের তরফে পশ্চিমবঙ্গ দুর্গাপুজো সমন্বয় সমিতির চেয়ারম্যান হিসাবে কার্তিক মহারাজের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম হাওড়া সফরে পুজোর আয়োজন নিয়ে উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, ‘কয়েকটা দিন আনন্দ-উৎসব করুন। কিন্তু অন্তঃসাধনা ও সংযম একটু থাকা দরকার।’ তাঁর কথায়, দুর্গাপুজো মূলত শক্তির আরাধনা। সেই শক্তিকে আহরণ করতে সংযম ও তপস্যার প্রয়োজন। এদিন দুর্গাপুজোয় মাছ-মাংস খাওয়া নিয়ে চলা বিতর্কে জল ঢালার চেষ্টা করেন কার্তিক মহারাজ। তাঁর বক্তব্য, গীতায় সাত্ত্বিক, রাজসিক ও তামসিক আহারের কথা বলা হয়েছে। যুধিষ্ঠির সাত্ত্বিক, অর্জুন-নকুল রাজসিক এবং ভীম তামসিক মনোভাবের প্রতীক। তাই খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বিতর্কের বদলে প্রয়োজন অনুযায়ী তার ভিন্নতা মেনে নেওয়ার বার্তা দেন তিনি।