Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

করিমপুরে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের লাখপতি করতে পাশে দাঁড়াচ্ছে প্রশাসন

অনেক আগে থেকেই সরকার মহিলাদের নিয়ে গঠিত স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে নানাভাবে পাশে দাঁড়িয়েছে।

করিমপুরে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের লাখপতি করতে পাশে দাঁড়াচ্ছে প্রশাসন
  • ১৮ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, করিমপুর: স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের জন্য সম্প্রতি বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। অনেক আগে থেকেই সরকার মহিলাদের নিয়ে গঠিত স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে নানাভাবে পাশে দাঁড়িয়েছে। এবার মূলত নারী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে পরিবেশকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে যেমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তেমনি জাতীয় গ্রামীণ আজীবিকা মিশনের অন্তর্গত স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের আয় বাড়িয়ে লাখপতি তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গোষ্ঠীর যে সমস্ত মহিলার বাৎসরিক আয় ষাট হাজারের বেশি, অথচ এক লাখের কম— তাঁদের আয় এক লাখ করাই জাতীয় গ্রামীণ আজীবিকা মিশনের উদ্দেশ্য। প্রাথমিকভাবে করিমপুর ১ ব্লকের ৭৪১০ জন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই সমস্ত দলের মহিলাদের ওপর প্রাথমিকভাবে সমীক্ষা করা হয়েছে। দেখা হচ্ছে কার কী চাহিদা, অর্থাৎ কোন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের কৃষিকাজের সরঞ্জাম দরকার, কাদের স্কিল ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং দরকার কিংবা কার ঋণের দরকার ইত্যাদি। তাঁদের প্রয়োজনগুলি চিহ্নিত করে সারা বছর ধরে বিভিন্ন সহায়তা দানের কাজ চলছে। এই সাহায্য দেওয়ার কাজে পঞ্চায়েত পিছু ২ থেকে ১৪ জন করে স্পেশাল সিআরপি নিয়োগ করা হয়েছে। 

Advertisement

মেয়েদের লাখপতি তৈরির লক্ষ্যে সম্প্রতি এই ব্লকের চারটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ৪০ জন মহিলাকে ২৫০টি করে মোট ১০ হাজারমুরগির ছানা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও হোগলবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি দলকে কুড়িটি ছাগলের বাচ্চা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেগুলোকয়েক দিনের মধ্যে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। ব্লক প্রাণী স্বাস্থ্যদপ্তরের আধিকারিকের সহায়তায় প্রত্যেকটি মুরগির বাচ্চার দেখভালের জন্য স্থানীয় প্রাণীমিত্রদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।  মূলত ডিম দেওয়া এই মুরগিগুলির প্রয়োজনীয় খাবার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ও স্বনিযুক্তি দপ্তরের তরফ থেকে দেওয়া হয়েছে। করিমপুর-১ ব্লকের   স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও সংযুক্তি দপ্তরের সুপারভাইজার অমিতকুমার মণ্ডল জানান, ডিম বেচে এবং ছাগল প্রতিপালন করে এই সমস্ত গোষ্ঠীর মহিলারা যাতে আর্থিকভাবে আরও স্বনির্ভর হয়ে ওঠেন, সেটাই করতে চাইছে সরকার। 
করিমপুর-১ বিডিও দেবদত্ত চক্রবর্তী জানান, গ্রামের মহিলারা যদি আর্থিকভাবে সচ্ছল হন, তাহলে পরিবারের সমস্যা, অভাব  কমবে এবং সেই সঙ্গে  পরিবারের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে, সেই লক্ষ্যেই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের সমীক্ষা করা হচ্ছে। 
প্রয়োজনমতো আপাতত স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও সংযুক্তি দপ্তরের তরফ থেকে ছাগল এবং মুরগি বিলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ