Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

শীঘ্রই চালু কান্দি হাসাপাতালের ১৬৫ শয্যার নয়া চারতলা ভবন

এবার আর শয্যার অভাবে রোগীদের হাসপাতালের বারান্দা কিংবা মেঝেয় ঠাঁই নিতে হবে না।

শীঘ্রই চালু কান্দি হাসাপাতালের ১৬৫ শয্যার নয়া চারতলা ভবন
  • ১২ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কান্দি: এবার আর শয্যার অভাবে রোগীদের হাসপাতালের বারান্দা কিংবা মেঝেয় ঠাঁই নিতে হবে না। কারণ আগামী সোমবার কান্দি মহকুমা হাসপাতালের নতুন চারতলা ১৬৫ শয্যার ভবন চালু হতে চলেছে। মঙ্গলবার জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকরা এমনটাই জানান। যার ফলে মহকুমার পাঁচ ব্লকের বাসিন্দারা উপকৃত হবেন বলে দাবি। হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, নতুন ভবন চালুর অপেক্ষায় বহুদিন কেটেছে। আগামী সোমবার হাসপাতালের নতুন ভবনের উদ্বোধন।  এলাকার বহু বছরের একটি সমস্যা মিটতে চলেছে। এর জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে কান্দির বাসিন্দাদের তরফ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই।

Advertisement

প্রসঙ্গত, ভরতপুর ১-২, খড়গ্রাম, কান্দি ও বড়ঞা ব্লক এলাকার একমাত্র ভরসাযোগ্য  কান্দি মহকুমা হাসপাতাল। এখানে প্রতিদিন ওই সব ব্লক থেকে প্রচুর রোগী ভর্তি হন। অনেক ক্ষেত্রে রোগীদের শয্যা পাওয়ার আশাও থাকে না। বাধ্য হয়ে তাঁরা পরিষেবা নিতে হাসপাতালের বারান্দা কিংবা মেঝেয় বিছানা পেতে শুয়ে থাকতে বাধ্য হন। এনিয়ে মাঝে মধ্যেই রোগীর পরিবার ক্ষোভ উগরে দেন। আবার কখনও সখনও স্যোশাল মিডিয়ায় প্রতিবাদের ছবিও দেখা গিয়েছে। তবে এই সমস্যা এবার অনেকটাই মিটতে চলেছে বলে দাবি। কারণ ওই হাসপাতাল চত্বরেই তৈরি হয়েছে প্রায় ১৬৫ শয্যার চারতলা নতুন ভবন। এই ভবনে ইতিমধ্যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডায়ালিসিস ইউনিটের উদ্বোধন করেছেন। 
জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই হাসপাতালের নতুন ভবন চালুর জন্য প্রস্তুত হয়ে রয়েছে। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সন্দীপ স্যানাল বলে, আগামী সোমবার ১৭ নভেম্বর হাসপাতালের নতুন ভবন চালু হতে চলেছে। ওইদিন আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন হবে। সেখানে জেলাশাসকের হাজির থাকার কথা রয়েছে। নতুন ভবনের জন্য প্রয়োজনীয় কর্মীর ব্যবস্থাও হয়ে গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, হাসপাতালের নতুন ভবনের প্রথমতলে থাকছে জরুরি বিভাগ সহ ল্যাবরেটরি। দ্বিতীয় তলে পুরুষদের সাধারণ বিভাগ। তৃতীয় তলে মহিলা বিভাগ। চতুর্থ তলে শিশুবিভাগ। 
কান্দির এসিএমওএইচ সৌমিক দাস বলেন, হাসপাতালের নতুন ভবন চালু হলে রোগীদের দুর্ভোগ কমবে। বিশেষ করে বারান্দায় কিংবা মেঝেতে বিছানা পেতে পরিষেবা দেওয়ার ঘটনা কমে আসতে পারে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ