সংবাদদাতা বেলদা: টানা চার বছর ধরে বন্ধ ছিল কালীপুজো। তাই দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়ছিল। এমনই বিশ্বাসে ফের পুজো শুরু করলেন বাসিন্দারা। শনিবার রাতে দাঁতন থানার মনোহরপুর বাসস্ট্যান্ডে ওই পুজোর উদ্বোধন করেন বিধায়ক বিক্রমচন্দ্র প্রধান। উপস্থিত ছিলেন পুলিস আধিকারিকরা।
প্রসঙ্গত, করোনার আগে থেকেই মনোহরপুর বাসস্ট্যান্ডে কালীপুজো হতো। বাসিন্দারা জানান, আগে বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন জাতীয় সড়কে ঘন ঘন দুর্ঘটনা ঘটত। সেই জন্য বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকার মানুষজন কালীপুজো শুরু করেন। করোনার সময় পুজো বন্ধ হয়ে যায়। চার বছর পর শনিবার রাতে এলাকাবাসীর উদ্যোগে আবার শুরু হল এই কালীপুজো। উপস্থিত ছিলেন দাঁতনের বিধায়ক, বেলদা মহকুমা পুলিস আধিকারিক রিপন বল, দাঁতন থানার আইসি তীর্থসারথি হালদার সহ অন্যান্যরা।
পুজো উদ্যোক্তা দেবজ্যোতি চন্দ, বিষ্ণুপদ রাউত, অশোক দোলাই বলেন, মনোহরপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় প্রায়শই দুর্ঘটনা লেগে থাকত। সেই জন্য আমরা কালীপুজোর শুরু করেছিলাম। তারপরেই কমে গিয়েছিল দুর্ঘটনা। করোনাকালে এই পুজো বন্ধ হয়ে যায়। আর তারপরই দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে যায়। সেই জন্য আমরা আবার সকলে উদ্যোগ নিয়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া পুজো শুরু করেছি। যদিও পুজো করলে দুর্ঘটনা কমবে, এমন যুক্তি মানতে নারাজ বিজ্ঞান মঞ্চ। তাদের বক্তব্য দুর্ঘটনা সঙ্গে আধ্যাত্মিকতার কোনও যোগ নেই। মনের শান্তির জন্য পুজো করা যেতে পারে। এজন্য ট্রাফিক ব্যবস্থাকে আরও ঢেলে সাজালে দুর্ঘটনায় রাশ টানা যাবে। প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, এলাকায় দুর্ঘটনা বেড়ে যাওয়ার কারণে প্রশাসনিকভাবে একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে।-নিজস্ব চিত্র