নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: মেদিনীপুর শহর থেকে বিপুল সংখ্যক তৃণমূল কর্মীসমর্থক ২১জুলাই ধর্মতলার সমাবেশে যোগ দেবেন। মঙ্গলবার পুর এলাকার শাসকদলের নেতাকর্মীরা বিশেষ বৈঠক করলেন। শহরের বিদ্যাসাগর হলে এই বৈঠকে মেদিনীপুরের সাংসদ জুন মালিয়া, পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান, যুব তৃণমূলের মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি নির্মাল্য চক্রবর্তী, কাউন্সিলার সৌরভ বসু সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে প্রচুর নেতাকর্মী কলকাতায় যাবেন। ট্রেনে যাবেন অনেকেই। তাছাড়াও ১০টির বেশি বাসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বহু মানুষ ছোট গাড়িতে চেপেও যাবেন।এদিনের বৈঠকে বাংলা ভাষা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াইয়ে পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে। সাংসদ জুন মালিয়া বলেন, আমাদের জননেত্রীর লড়াইকে কুর্নিশ জানাচ্ছি। সারা রাজ্য থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ ২১জুলাই কলকাতায় যাবেন। কোনও নেতাকর্মীর যাতে সমস্যা না হয়, তা দেখা হচ্ছে।মেদিনীপুর পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান বলেন, এবারের শহিদ সমাবেশ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য শোনার জন্য আমরা সবাই মুখিয়ে আছি। কর্মীরাই দলের সম্পদ। আশা করছি, পুর এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন। মাঝে শহর এলাকায় তৃণমূলের ভোট কমেছিল। পরে একের পর এক নির্বাচনে শহর এলাকায় বিপুল জয় পেয়েছে ঘাসফুল শিবির। তার অন্যতম কারণ, শহরের বাসিন্দারা নানা প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। শাসকদলের জেলাস্তরের নেতারাও সংগঠন মজবুত করতে নজর দিচ্ছেন। তাই মেদিনীপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বিরোধী শিবির। তৃণমূল নেতাদের দাবি, রক্তদান, বস্ত্র বিলি, কৃতী পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়ানোর মতো সমাজসেবামূলক কাজের জেরেও তাঁদের ভোট বেড়েছে। ৯নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সৌরভ বসু বলেন, মানুষ উন্নয়নের পক্ষেই রায় দেবে। যুব তৃণমূলের সভাপতি নির্মাল্য চক্রবর্তী বলেন, দলের নির্দেশ মেনে সবাইকে চলতে হবে। আমাদের লক্ষ্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করা।-নিজস্ব চিত্র