Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কার্টুন চরিত্রের সঙ্গে বাজারে পাল্লা দিয়ে বিকোচ্ছে জয় জগন্নাথ রাখি!

পাহাড়ে ধস। ডুয়ার্সে জঙ্গল বন্ধ। ফলে উত্তরবঙ্গের বাসিন্দাদের এখন বেড়ানোর অন্যতম ডেস্টিনেশন দীঘা। অবশ্যই এর কারণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে সৈকত নগরীতে তৈরি হওয়া জগন্নাথ মন্দির।

কার্টুন চরিত্রের সঙ্গে বাজারে পাল্লা দিয়ে বিকোচ্ছে জয় জগন্নাথ রাখি!
  • ৭ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: পাহাড়ে ধস। ডুয়ার্সে জঙ্গল বন্ধ। ফলে উত্তরবঙ্গের বাসিন্দাদের এখন বেড়ানোর অন্যতম ডেস্টিনেশন দীঘা। অবশ্যই এর কারণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে সৈকত নগরীতে তৈরি হওয়া জগন্নাথ মন্দির। বেড়ানোর পাশাপাশি উত্তরবঙ্গে রাখির বাজারেও ‘হিট’ জয় জগন্নাথ! ডোরেমন, ছোটা ভীম কিংবা মোটু-পাতলুর মতো কার্টুন চরিত্রের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিকোচ্ছে জগন্নাথদেবের ছবি দেওয়া রাখি। ২০ টাকায় ওই রাখি কিনতে জলপাইগুড়ির দিনবাজারে রীতিমতো হুড়োহুড়ি।

Advertisement

বুধবার রাখির বাজারে ঢুঁ মারতেই দেখা গেল, বিক্রেতারা জগন্নাথদেবের ছবি দেওয়া রাখির বাক্স খুলতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। ‘জয় জগন্নাথ’ রাখির চাহিদা যে কতটা তার প্রমাণ মিলল জলপাইগুড়ি দিনবাজারের ব্যবসায়ী পবনকুমার আগরওয়ালের কথাতেই। বললেন, একটি বাক্সে ২৪ পিস রাখি থাকে। আমি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। তাও একশো বাক্স জগন্নাথ রাখি তুলেছিলাম। রাখি উৎসবের এখনও তিনদিন বাকি। তার আগেই সব শেষ। ওই বাজারেরই আর এক রাখি বিক্রেতা রাজেশ শা বলেন, এবার জগন্নাথ রাখির চাহিদা তুঙ্গে। প্রথমে দশ টাকা করে বিক্রি করছিলাম। পরে ২০ টাকায় বিক্রি শুরু করি।

এদিন দিনবাজারে জগন্নাথদেবের ছবি দেওয়া রাখি কিনতে এসেছিলেন জলপাইগুড়ি শহরের রায়কতপাড়ার বাসিন্দা ঋতুপর্ণা দাস। বললেন, সদ্য দীঘার জগন্নাথ মন্দির ঘুরে এসেছি। খুবই ভালো লেগেছে। এক বান্ধবীর কাছে শুনতে পেলাম, বাজারে জগন্নাথদেবের ছবি দেওয়া রাখি বিক্রি হচ্ছে। তাই ভাইয়ের জন্য কিনতে এসেছি।

ছোটরা অবশ্য কার্টুনেই ডুবে। ডোরেমন রাখি বিকোচ্ছে ২০ টাকায়। একই দর মোটু-পাতলু রাখির। তবে ৫০ টাকায় আলো জ্বলা রাখি মন কাড়ছে খুদেদের। জলপাইগুড়ির রাখি বিক্রেতা কিরণ শা’র অবশ্য দাবি, রাখির বাজারে এবারও নিজেদের জায়গা ছাড়তে নারাজ স্পাইডারম্যান কিংবা ছোটা ভীম।

বাজারে যখন হরেক রাখির চাহিদা তুঙ্গে, বোনেদের জন্য তখন নিজেরাই রাখি বানাচ্ছে জলপাইগুড়ির কোরক হোমের শিশু, কিশোররা। কেউ সুতো দিয়ে রাখি বানাচ্ছে, কেউ আবার বানাচ্ছে রঙিন কাগজের রাখি। গত কয়েকদিন ধরে হোমের প্রায় ৪০ জন খুদে রাখি বানানোর কাজে ব্যস্ত। হোমের সুপার গৌতম দাস বলেন, শহরের দু’টি হোম থেকে মেয়েরা আসবে আমাদের হোমে। তারা আমাদের হোমে থাকা শিশু, কিশোরদের হাতে রাখি বেঁধে দেবে। আমরা ওইদিন সবার জন্য মিষ্টিমুখের ব্যবস্থা করব। এছাড়া আমাদের হোমে থাকা দু’টি ছেলের বোন রয়েছে কোচবিহারের হোমে। রাখির দিন তাদের কোচবিহারের ওই হোমে নিয়ে যাওয়া হবে। বোনের হাত থেকে রাখি পরবে তারা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ